চিংড়ির পিঠে থেকে শুরু করে ইলিশ-খাসির মাংস, ঠাকুরবাড়িতে শুভেন্দুর জন্য কী কী পদ রাঁধলেন শান্তনু জায়া?
তবে শুধু চিংড়ির পিঠে নয়, মুখ্যমন্ত্রীর পাতে ছিল মৌরলা মাছ, ইলিশ ভাজা ও ভাপা, পমফ্রেট ভাজা, চিংড়ি-মোচার ঘণ্ট, চিংড়ির মালাইকারি, খাসির মাংস ও দেশি মুরগির মাংস। পাশাপাশি ছিল নিরামিষ ডাল, বেগুন ভাজা, উচ্ছে ভাজা, মিষ্টি, দই এবং ছানার পায়েস। সোমা বলেন, ‘আমি প্রথমেই বলেছিলাম ঠাকুরবাড়ির স্পেশাল রান্না চিংড়ি পিঠে। আমি ভাবতে পারিনি, উনি ওটাই বেশি করে নিয়েছেন। উনি আপ্লুত।’ পরে মুখ্যমন্ত্রীও বলেন, ‘সোমা ঠাকুর নিজে হাতে রান্না করেছেন। এটা পরম প্রাপ্তি।’
মৌরলা মাছের যে পদ রেঁধেছিলেন তিনি, সেটিও মুখ্যমন্ত্রীর বেশ পছন্দ হয়েছে বলে জানান সোমা। তাঁর কথায়, ‘ভালো লাগল যে, আমি যে মৌরলা মাছের রেসিপিটা করেছিলাম, সেটা খেয়েছেন। ইলিশ মাছ ভাজা খেয়েছেন। ভেজ ডাল, উচ্ছে ভাজা, বেগুন ভাজাও খেয়েছেন। কী ভাবে চিংড়ি পিঠে বানিয়েছি, সেটা আমার থেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জেনেছেন।’ পরে সোমা জানান, ছোট-মাঝারি আকারের চিংড়ি, নারকেল বাটা, জিরে, কাঁচালঙ্কা ও হলুদের মিশ্রণ তৈরি করে কলাপাতায় মুড়ে ধীর আঁচে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে রান্না করা হয় এই পদ।