Assault: টব, পাথর দিয়ে মাথা ফাটাল, মেঝেতে ফেলে একের পর এক লাথি! নার্সারির ছাত্রীর প্রতি এত আক্রোশ ক্লাস-থ্রির পড়ুয়ার? | Class 3 Student Seriously injured KG Student inside School premises - 24 Ghanta Bangla News
Home

Assault: টব, পাথর দিয়ে মাথা ফাটাল, মেঝেতে ফেলে একের পর এক লাথি! নার্সারির ছাত্রীর প্রতি এত আক্রোশ ক্লাস-থ্রির পড়ুয়ার? | Class 3 Student Seriously injured KG Student inside School premises

Spread the love

স্কুলে ভয়ঙ্কর নৃশংসতার ছবি।Image Credit: X

চণ্ডীগঢ়: শিশুদের মন নিষ্পাপ, ফুলের মতো হয়। তবে সেই ধারণাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলল নৃশংস এক ঘটনা। নার্সারিতে পড়া শিশুকে ব্যাপক মারধর করল ক্লাস-থ্রিয়ের পড়ুয়া। এমনই বীভৎসভাবে মারল যে রক্তে ভাসল ক্লাসরুম। চুলের মুঠি ধরে আছাড়, মাটিতে ফেলে মার, একের পর এক লাথি মারে ওই পড়ুয়া। এরপরও থামেনি সে। ফুলের টব, পাথর দিয়েও আঘাত করে শিশুকন্যাকে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ওই শিশুটি। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সে।

ঘটনাটি ঘটেছে চণ্ডীগঢ়ের একটি প্রাইভেট স্কুলে। পঞ্চকুলার ওই স্কুলে তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া ওই স্কুলেরই নার্সারির পড়ুয়াকে মারধর করে। ঘটনাটি স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসতেই শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চণ্ডীগঢ়ের পিজিআই হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

তবে কেন ওই তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া নার্সারির ছাত্রীকে এমন নৃশংসভাবে মারধর করল, তার কারণ জানা যায়নি। যে ফুটেজ সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে প্রথমে ওই পড়ুয়া ফুলের টব ছুড়ে মারে। এরপর পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এরপরে টেনে ক্লাসরুমে নিয়ে গিয়ে, সেখানে মেঝেতে ফেলে মারধর করতে শুরু করে।  এমনকী, ওই ছাত্রী সংজ্ঞা হারানোর পরও আক্রমণকারী পড়ুয়া থামেনি। তাঁর চুলের মুঠি ধরে স্কুল চত্বরে টেনে নিয়ে যায়।

সূত্রের খবর, শিশুকন্য়াটিকে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করানোর নাম করেই উপরে নিয়ে গিয়েছিল ওই তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া। এরপরে বাবাকে দেখতে না পেয়ে, শিশুটি যখন ঝগড়া করে, তখনই এমন বীভৎসভাবে মারধর করে।

বর্তমানে চণ্ডীগঢ়ের পোস্টগ্রাজুয়েট ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে চিকিৎসাধীন ওই শিশু। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক বলেই জানা গিয়েছে।

পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আক্রমণকারী শিশু ও তার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এই ঘটনা স্কুলে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *