রহস্য ক্রমেই বাড়ছে জয়ন্তের মৃত্যু ঘিরে, চর্চায় পুলিশ অফিসারের নানা ‘কীর্তি’ও
যদিও আত্মহত্যার তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে পরিবার। জয়ন্তের জামাইবাবু রাজীব মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমার অন্তত মনে হয় না আত্মহত্যা। ছোটবেলা থেকেই ওর সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশেছি। স্থানীয় ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম ২ জনেই। সে রকম কোনও সমস্যা ছিল না যে, ও এ রকম সিদ্ধান্ত নেবে। মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কি না, সেটা অবশ্য ওর স্ত্রীই বলতে পারবেন।’
জয়ন্তের মৃত্যুর পরে তাঁর কর্মজীবনের নানা ঘটনাও তদন্তকারীদের একান্ত আলোচনায় উঠে এসেছে। পুলিশের একটি মহলের মতে, জয়ন্তকে কেন্দ্র করে কিছু ঘটনায় বিতর্ক হয়েছে। হুগলির চণ্ডীতলা থানায় তিনি যখন কর্মরত ছিলেন, একটি ঘটনা ঘটেছিল। কর্তব্যরত অবস্থাতেই কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজের থানা এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে হাওড়ায় চলে গিয়েছিলেন জয়ন্ত। সেখানে গুলিবিদ্ধও হন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোলের মধ্যে তাঁর এক বান্ধবীর কথা উঠে তদন্তে। ওই ঘটনার পরেই বাঁকুড়ার পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয় জয়ন্ত। তা ছাড়া তৃণমূল জমানায় শাসক-ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন তিনি। সেই সূত্রে তৃণমূলের হয়ে কাজ করারও অভিযোগ উঠেছিল জয়ন্তের বিরুদ্ধে। ফলে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে পুরোনো শত্রুতার কোনও বিষয় রয়েছে কি না, সে দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর তদন্তকারীদের একটি সূত্রে। যদিও এ সব বিষয় নিয়ে পুলিশের তরফে সরকারি ভাবে কিছুই জানানো হয়নি।