ইন্ডির ইম্পিচমেন্ট অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খাড়গের বাসভভবনে নেহা বোরা
নয়াদিল্লি: দিল্লিতে শনিবার এক প্রতীকী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মহলে (Neha Bora)নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসা-র সভাপতি নেহা বোরা…
নয়াদিল্লি: দিল্লিতে শনিবার এক প্রতীকী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মহলে (Neha Bora)নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসা-র সভাপতি নেহা বোরা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে পৌঁছেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জনসাধারণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ এক ‘পাবলিক ইমপিচমেন্ট’ কর্মসূচিতে অংশ নিতেই তিনি এসেছেন।
নেহা বোরা বলেন, “আমি এসেছি পাবলিক ইমপিচমেন্টের জন্য। এই ইমপিচমেন্ট, যা সারা ভারতের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে আজ এখানেই হচ্ছে। যদি সংসদে যারা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা সত্যিই জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করতেন, তাহলে আজ যা ঘটছে তা সংসদের ভিতরেই হতো।” তাঁর এই বক্তব্য কর্মসূচির মূল বার্তাকে স্পষ্ট করে তোলে।
আরও দেখুনঃ রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে বাদ ১কোটি হিন্দু! বিজেপি কর্মীদের তুলোধোনা যোগীর
এই কর্মসূচি আয়োজন করেছে ইন্ডি জোট। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ। জোটের নেতারা মনে করেন, সংসদে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ইমপিচমেন্ট সম্ভব নয়। তাই জনসমক্ষে এই প্রতীকী অনুষ্ঠান করা হচ্ছে।
খাড়গের রাজাজি মার্গের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রাক্তন লোকসভা স্পিকার মীরা কুমার সভাপতিত্ব করেন। (Neha Bora)কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে মোশন উত্থাপন করেন। বিভিন্ন দলের নেতা ও কর্মীরা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করার দাবি জানান।
নেহা বোরার উপস্থিতি এই কর্মসূচিকে যুবসমাজের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি প্রতিবাদে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। দিল্লিতে বেশ কয়েকবার আটকও হয়েছেন তিনি। যুবসমাজের এক অংশের কাছে তিনি প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
কর্মসূচির আয়োজকরা বলছেন, এটি শুধু প্রতীকী নয়, বরং জনমতের প্রতিফলন। (Neha Bora)তাঁদের দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। তাই সংসদের বাইরে হলেও এই ইমপিচমেন্টের মাধ্যমে সেই ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারপক্ষ এ ধরনের কর্মসূচিকে রাজনৈতিক নাটক হিসেবে দেখছে এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতাকে সম্মান করার কথা বলছে।
এই অনুষ্ঠান আগামী দিনের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনই বলা মুশকিল। তবে এটি স্পষ্ট যে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক এখনও জোরালোভাবে চলছে। নেহা বোরার উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্য সেই বিতর্কে যুবসমাজের কণ্ঠকে আরও জোরালো করে তুলেছে।