আকাশে ‘নখর’ মেলছে ভারত! ড্রোন কেনায় বিপুল বরাদ্দ, সামনে কোন চ্যালেঞ্জ?
নয়াদিল্লি: আধুনিক যুদ্ধের ময়দানে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে চালকবিহীন আকাশযান বা ড্রোন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সংঘাত, সর্বত্রই ড্রোনের কার্যকারিতা নতুন করে সামনে…
নয়াদিল্লি: আধুনিক যুদ্ধের ময়দানে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে চালকবিহীন আকাশযান বা ড্রোন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সংঘাত, সর্বত্রই ড্রোনের কার্যকারিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ড্রোন বাহিনী শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করছে ভারত। আগামী পাঁচ বছরে তিন বাহিনী মিলিয়ে ১.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ড্রোন কেনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
এই পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে জেটচালিত আত্মঘাতী ড্রোন। রাশিয়ার ‘ফিলিন’ নামের এমনই একটি ড্রোন ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ কিলোমিটার গতিতে ১২০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। তুলনায় কম খরচে নির্ভুল হামলা চালানোর এই প্রযুক্তি সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তন আনছে।
ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই দেশীয় সংস্থা নির্মিত ২০০টি স্মার্ট আনম্যানড মিউনিশন সিস্টেমের বরাত দিয়েছে। এবার সেনাবাহিনী প্রায় ১২টি ভারতীয় সংস্থার তৈরি জেটচালিত ড্রোন পরীক্ষা করবে। পরিকল্পনা রয়েছে ৫৪০টি ড্রোন কেনার। পাশাপাশি নৌবাহিনীও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন ও চালকবিহীন জলযান অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে বড় পরিকল্পনার পাশাপাশি রয়েছে একাধিক বাধা। ভারতের ড্রোন নির্মাণে এখনও বিদেশি যন্ত্রাংশ, বিশেষ করে চিপ ও ফ্লাইট কন্ট্রোলারের উপর নির্ভরতা রয়েছে। দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর মতো পরিকাঠামোও পর্যাপ্ত নয়। ছোট ছোট বরাতের কারণে নির্মাতা সংস্থাগুলি বড় উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ড্রোন কেনাই যথেষ্ট নয়। তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বিত প্রযুক্তি, নিজস্ব উৎপাদন, প্রশিক্ষিত অপারেটর এবং কার্যকর যুদ্ধকৌশল তৈরি না হলে বিপুল বিনিয়োগের পুরো সুফল পাওয়া কঠিন।
কেরলে পিডব্লিউডি সচিব থাকাকালীন ৭০০ কোটির ক্ষতি! জ্ঞাণেশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
চিনা সংস্থা থেকে ২০ লক্ষ নিয়ে ভারতের কৌশলগত প্রকল্পের বিরোধিতায় আন্দোলনে অরুণাচলের অ্যাকটিভিস্ট