Bhutan Lake Burst: বাংলা-অসম সীমান্তে বাড়ছে আশঙ্কা, গবাদিপশু নিয়ে রাতেই রাস্তায় নামলেন বাসিন্দারা | Bhutan lake burst alert in north bengal miking started in places people asked to move - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bhutan Lake Burst: বাংলা-অসম সীমান্তে বাড়ছে আশঙ্কা, গবাদিপশু নিয়ে রাতেই রাস্তায় নামলেন বাসিন্দারা | Bhutan lake burst alert in north bengal miking started in places people asked to move

Spread the love

রাত জাগলেন বাসিন্দারাImage Credit: TV9 Bangla

কোচবিহার: উত্তরবঙ্গের শিয়রে শমন! বৃষ্টির মধ্যেই ভুটানের বানে আরও বিপত্তির আশঙ্কা। নেপালের স্মৃতি যখন দগদগে, তারই মধ্যে ভুটানের শিনটাফু লেক ফেটে যাওয়ার খবরে নতুন করে বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর তার জেরে রাত জাগল কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার। জানা গিয়েছে, লেক থেকে ৭৪ লক্ষ ঘন মিটার জল নেমেছে মো নদীতে। তার জেরেই রাতে সতর্কবার্তা জারি হয় বাংলা-অসম সীমান্তবর্তী এলাকায়।

বাংলা-অসম সীমানার সঙ্কোশ নদীতে জল বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই রাতেই মাইকিং করে ওই নদীর পাশে থাকা বাসিন্দাদের দ্রুত সরে যেতে বলা হয়। ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে রাতভর মাইকিং করে বলা হয় যাতে প্রশাসনের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান বাসিন্দারা। বন্যা সতর্কতা জারি হয়েছে ধুবড়ি এবং কোচবিহারেও। এদিকে, শুক্রবার ভারী বৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে আলিপুরদুয়ারে।

আতঙ্কে কার্যত গোটা রাত জেগেছিলেন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দারা। বক্সিরহাটের রামপুর-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্কোশ নদী লাগোয়া সঙ্কোশ গ্রামের বাসিন্দারা গবাদি পশু নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন।

রাতেই জানিয়ে দেওয়া হয় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যার জল সীমান্তে পৌঁছে দুই রাজ্যের সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় স্থানীয় প্রশাসনকে। রাতেই ভিডিয়োবার্তা দেন বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলার সব ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। SDRF ও NDRF সতর্ক আছে বলেও জানান তিনি।

ভুটানের পুনাসাংচুতেও জারি হয়েছে সতর্কতা। হঠাৎ জলস্তর বেড়ে গেলে পুনাসাংচু জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত ও ভুটানের যৌথ উদ্যোগে এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি হয়েছে। পুনাসাংচু নদীই বাংলা ও অসমে সঙ্কোশ নামে প্রবেশ করেছে। ফলে ভুটানের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *