হাসিনার পতনের আগেই ইউনূসকে প্রস্তাব! দুই দিন আগে কী হয়েছিল? - 24 Ghanta Bangla News
Home

হাসিনার পতনের আগেই ইউনূসকে প্রস্তাব! দুই দিন আগে কী হয়েছিল?

Spread the love

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের নেপথ্যে সামনে এসেছে নতুন তথ্য(Yunus)। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের প্রাক্তন প্রেস সচিব শফিকুল আলম দাবি করেছেন, শেখ হাসিনার পতনের দুই দিন আগেই…

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের নেপথ্যে সামনে এসেছে নতুন তথ্য(Yunus)। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের প্রাক্তন প্রেস সচিব শফিকুল আলম দাবি করেছেন, শেখ হাসিনার পতনের দুই দিন আগেই ছাত্রনেতারা ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পর ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এখন শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্টে জানা যায়, ছাত্রনেতারা আগে থেকেই পরিকল্পনা করছিলেন। তাঁরা ইউনূসের (Yunus)সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন অনুভব করেন।

সেই ভূমিকা পালন করেন তৎকালীন এএফপি ঢাকা ব্যুরোর ফ্যাক্ট-চেক সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। শফিকুল আলম লিখেছেন, শিশির ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ করেন এবং প্রাথমিক আলোচনা এগিয়ে নেন। পুরো বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয়তায় রাখা হয়।

আরও দেখুনঃ হাসিনার পতনের আগেই ইউনূসকে নেতৃত্বের প্রস্তাব! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন প্রেসসচিবের

হাসিনা তখনও ক্ষমতায় ছিলেন। তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এসব আলোচনার খবর জানতে পারেনি। শফিকুল আলম বলেন, যদি জানা যেত তাহলে শিশির ও এএফপি দলের সদস্যরা বিপদে পড়তে পারতেন। এই তথ্য প্রকাশের পর ‘স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন’ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে মনে করছেন, রাস্তার বিক্ষোভের আড়ালে আরও পরিকল্পনা চলছিল। কে সংগঠিত করছিল, কে মধ্যস্থতা করছিল এবং পরবর্তী পরিণতি কী হবে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়েছিল কোটা সংস্কার দাবি নিয়ে। পরে তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এরপর ছাত্রনেতারা প্রকাশ্যে ইউনূসের নাম প্রস্তাব করেন। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, আলোচনা আগে থেকেই শুরু হয়েছিল।

শফিকুল আলমের দাবি অনুসারে, শিশির বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন। (Yunus)তিনি এএফপি অফিসে বসেই এই কাজ পরিচালনা করেন। হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া কেউ জানতেন না। এই ঘটনা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ বলছেন, এটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। অন্যরা মনে করেন, স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের বর্ণনায় ফাঁক রয়েছে। রাস্তার জনতার পেছনে কারা কাজ করছিলেন, তা যাচাই করা দরকার।

ইউনূস পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। ছাত্রনেতাদের কয়েকজনও সেই সরকারে যুক্ত হন। শফিকুল আলমের এই পোস্টে সেই সময়ের নেপথ্য চিত্র কিছুটা স্পষ্ট হয়েছে। তবে শিশির বা অন্য পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য বেরিয়ে এলে পুরো ঘটনার সত্যতা যাচাই করা যাবে। আপাতত এই দাবি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *