রাজধানীর ব্যবসায় ক্ষতি! ৫০ কোটির দাবি করে মামলা আরশোলাদের বিরুদ্ধে - 24 Ghanta Bangla News
Home

রাজধানীর ব্যবসায় ক্ষতি! ৫০ কোটির দাবি করে মামলা আরশোলাদের বিরুদ্ধে

Spread the love

নয়াদিল্লি: দিল্লির সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটিয়েছে (Cockroach Party)ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক বিক্ষোভ। এই অসুবিধার জন্য দলটির কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি…

নয়াদিল্লি: দিল্লির সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটিয়েছে (Cockroach Party)ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক বিক্ষোভ। এই অসুবিধার জন্য দলটির কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে দিল্লি হাইকোর্ট এই মামলা শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাদীকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

অ্যাডভোকেট রাকেশ কুমার সাইনি এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের কারণে ব্যবসায়ী, যাত্রী ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়েছে।(Cockroach Party) বাজার বন্ধ থাকা, যানজট এবং স্কুলগামী শিশুদের সমস্যা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মামলায় দাবি করা হয়, দলটিকে অন্তর্বর্তী ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫০ কোটি টাকা জমা দিতে হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি যাচাইয়ের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনেরও আবেদন করা হয়।

আরও দেখুনঃ উত্তরাখণ্ডে বড় দুর্ঘটনা! পাঁচ যাত্রী ও পাইলট-সহ ভেঙে পড়ল কপ্টার

দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলা শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য শোনেন। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যে ৫০টিরও বেশি অনুরূপ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অ্যাক্টিং চিফ জাস্টিস নিতিন ওয়াসুদেও সাম্ব্রে ও জাস্টিস সঞ্জয় শর্মার বেঞ্চ মন্তব্য করেন, বিচারিক শৃঙ্খলা রক্ষায় হাইকোর্টের উচিত নয় পরস্পরবিরোধী আদেশ দেওয়া। তাই মামলা নিষ্পত্তি করে বাদীকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়।

ককরোচ জনতা পার্টি মূলত তরুণদের নেতৃত্বাধীন একটি আন্দোলন। প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এর জন্ম হয়। পরে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তারা বিক্ষোভ শুরু করে। দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় এই বিক্ষোভ চলাকালীন যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হন।

বাদীর দাবি, বিক্ষোভের অধিকার থাকলেও সাধারণ নাগরিকদের অধিকারও রক্ষা করা দরকার।(Cockroach Party) তিনি বলেন, এমন বিঘ্ন ভবিষ্যতে রোধ করতে কমিউনিটি ফাইন আরোপ করা উচিত। তবে আদালত মনে করে, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন থাকায় হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না।

এই ঘটনায় দিল্লির বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন, বিক্ষোভ গণতন্ত্রের অংশ হলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ উপেক্ষা করা যায় না। অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, তাদের দাবি ন্যায়সঙ্গত এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *