কখন ফাটবে বাজি? কী বলছে নবান্নের নতুন নির্দেশিকা? - 24 Ghanta Bangla News
Home

কখন ফাটবে বাজি? কী বলছে নবান্নের নতুন নির্দেশিকা?

Spread the love

কলকাতা: কালীপুজো ও ছটপুজো উপলক্ষে বাজি পোড়ানো নিয়ে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করল রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পরিবেশ দূষণ ও শব্দের দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখতে…

কলকাতা: কালীপুজো ও ছটপুজো উপলক্ষে বাজি পোড়ানো নিয়ে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করল রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পরিবেশ দূষণ ও শব্দের দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখতে উৎসবের দু’টি ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাজি ফাটানোর কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রমের আশপাশে বাজি পোড়ানো, নিষিদ্ধ শব্দবাজির ব্যবহার এবং ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রেও কড়া নিয়মের কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে নির্দেশিকাগুলি তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ এবং পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। উপস্থিত ছিলেন দমকলের ডিজি অনুজ শর্মাও।

প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, কালীপুজো বা দীপাবলির দিন রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। ছটপুজোয় সেই সময়সীমা সকাল ৬টা থেকে ৮টা। সাধারণ মানুষকে শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছে সরকার।

বাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রাও নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখতে হবে। নির্দেশিকায় শব্দবাজির জন্য সর্বোচ্চ ১২৫ ডেসিবেল এবং অন্যান্য বাজির ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেলের সীমার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বহুতল আবাসনে বাজি পোড়ানোর সময় ধোঁয়া যাতে অতিরিক্ত সমস্যা তৈরি না করে, সে দিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে।

হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রমের কাছে বাজি নিষিদ্ধ

হাসপাতাল, নার্সিং হোম এবং বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানো যাবে না। এই এলাকাগুলিকে নীরব অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাজির বাজার লোকালয়ের মধ্যে না বসিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ফাঁকা জায়গায় আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে অভিযানও চালাচ্ছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে বড়বাজার থেকে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাজি তৈরি ও মজুতের জায়গাগুলিতেও নিয়মিত তল্লাশি চালানো হবে।

ফানুস ওড়াতে লাগবে অনুমতি

ফানুস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও তা ওড়ানোর আগে দমকল ও পুলিশের অনুমতি নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতেই এই ব্যবস্থা। বাজি সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য হেল্পলাইন নম্বরও প্রকাশ করা হবে।

নিয়ম ভাঙলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। উৎসবের আনন্দ বজায় রেখেই যাতে পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই বিধিনিষেধ কার্যকর করার কথা জানিয়েছে রাজ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *