‘ভেবেছিলাম মাঝরাতে বোধহয় বাজি ফাটছে…’, যা বললেন গাইঘাটা এনকাউন্টারের প্রত্যক্ষদর্শী
কল্পনা মণ্ডল (প্রত্যক্ষদর্শী)
স্বামী ফুলের ব্যবসা করেন। ভোর রাতে ব্যবসার জন্য তাঁকে বেরোতে হয়। রাত দুটো পর্যন্ত ফুলের মালা গেঁথে রেডি করি আমরা। সোমবার রাতেও তাই করছিলাম। রাত আড়াইটের একটু আগে আমার স্বামী বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
ছোটমেয়েকে নিয়ে ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে রাত ২.৪০ মিনিটে খুব কাছে পর পর তিনটে শব্দ শুনতে পাই। প্রথমে ভেবেছিলাম বাজি ফাটছে। গেট খুলে বাইরে এসে উপরের দিকে তাকাই।
বাজি ফাটলে তো উপরের দিকে ধোঁয়া হবে। কিন্তু উপরে ধোঁয়া দেখতে পাইনি। এর পরেই দেখলাম পুলিশের গাড়ি। কয়েকজন ছোটাছুটি করছে। বুঝলাম কিছু একটা ঘটেছে। এর মধ্যে কয়েকটি বাইক দ্রুত গতিতে যাওয়ার শব্দ পাই। পুলিশের গাড়ি ঘুরিয়ে থানার দিকে চলে যেতে দেখেছি।
আমি প্রতিদিন রাত দুটোর পর ঘুমোতে যাই। কিন্তু সোমবারের রাতের এই অস্বাভাবিক ঘটনা দেখে ভয় ভয়ই করছিল। মঙ্গলবার সকালে জানতে পারি ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্তকে পুলিশ এনকাউন্টার করে মেরেছে। শুনলাম প্রহ্লাদের গুলিতে পুলিশের গাড়ির কাচ ভেঙেছে। সেগুলো রাস্তার উপরেই পড়ে রয়েছে। জায়গাটা গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিশ।