Ballon d’Or 2026: এমবাপে-ইয়ামাল নয়, ২৫ বছরের খরা কাটিয়ে ব্যালন ফিরল ইংল্যান্ডে | Ballon d’Or 2026 Winner, Harry Kane Beats Lamine Yamal And Kylian Mbappe To Win First Ballon d’Or
ব্যালন জয়ী হ্যারি কেন।Image Credit: Jeff Spicer – UEFA/UEFA via Getty Images
লন্ডন: সবাই ভেবেছিলেন লামিন ইয়ামাল বা কিলিয়ান এমবাপের মধ্যে কেউ জিতবেন ব্যালন ডি অর। লামিন জয়ের দাবিদার, কারণ তিনি এই বছর বিশ্বকাপ জিতেছেন স্পেনের জার্সিতে। অন্যদিকে, অনেকে এমবাপের উপর ভরসা করেছিলেন কারণ, তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। কিন্তু, এঁদের দুজনের কেউই পেলেন না। যিনি পেলেন, তাঁকে একসময় ‘ব্যাড লাক’ এর সঙ্গে তুলনা করা হত।
জল্পনাতে সিলমোহর ফেলে ব্যালন জিতলেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন। ভারতীয় সময় মঙ্গলবার মধ্যরাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে তাঁর হাতে সেরা ফুটবলারের পুরস্কার তুলে দিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনাল্ডো নাজারিও। এর ফলে প্রথমবার ব্যালন জিতলেন এই ৩৩ বছরের তারকা ফুটবলার।
২০১৭ সালেও এই থিয়েটারেই হয়েছিল ব্যালনের অনুষ্ঠান। সেবার অনুষ্ঠানে এসেও দূর থেকেই মঞ্চের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পুরস্কার পেয়েছিলেন অন্য কেউ। তার ঠিক ৯ বছর পর আবার সেই একই থিয়েটারে সেরা সম্রাটের মুকুট পেলেন তিনি। যদিও টটেনহ্যাম দলে খেলার সময় বারবার তাঁকে কটাক্ষ করা হয়েছে ‘লুজার’ বলে। একের পর এক গোল করলেও, রেকর্ড ভাঙলেও ট্রফি আসেনি তাঁর জীবনে। ২০২৩ সালে টটেনহ্যামের সঙ্গে দীর্ঘ ১৯ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে চলে গেলেন জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখ ক্লাবে। সেখানে সাফল্য এসেছে, এসেছে ট্রফিও।
২০০১ সালের পর কোনও ইংরেজ ফুটবলার জিতলেন ব্যালন ডি অর। সেবার সেরা ফুটবলার হওয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন মাইকেল ওয়েন। সেই সময়, অর্থাৎ ২০০১ সালে কেনের বয়স কত ছিল জানেন? মাত্র ৮ বছর। এই নিয়ে ৫ বার কোনও ইংরেজ ফুটবলার এই পুরস্কার জিতলেন। তাঁর আগে এই পুরস্কার পেয়েছেন – স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউজ, ববি চার্লটন, কেভিন কিগান ও মাইকেল ওয়েন।
তবে ট্রফি জয়ের পর কেন নিজে কী বললেন? সব সতীর্থ, ভোটদাতা, বিপক্ষে থাকা ফুটবলাররা, পরিবার – কাউকেই ভুললেন না এই ‘জেন্টলম্যান’। তারপর বললেন, “অনেকেই এটা ভাবেননি। এমনকি আমি নিজেও ভাবিনি। অনেক উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি নিজের জীবনে। সময় লেগেছে তবে অনেক পরিশ্রমও করতে হয়েছে।” কোনও প্রতিবাদের জবাব নয়, কোনও সমালোচনার উত্তর নয়। টটেনহ্যামকে ধন্যবাদ জানালেন। যে ক্লাবের হয়ে খেলার সময় তাঁকে এত অপমান সহ্য করতে হয়েছে, সেই ক্লাবকেই ‘জিতিয়ে’ দিলেন হ্যারি।
কেন কি বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানকে চেনেন? যদি না চিনে থাকেন, তাহলে শাহরুখের সিনেমা ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’-এর একটি ডায়লগের সঙ্গে তাঁর এই সফলতার যাত্রা এত মেলে কিভাবে? ডায়লগটা কী? কী আবার, ‘কিসমত বড়ি কুত্তি চিজ হ্যায়, কভি ভি পলট যাতি হ্যায়।’