হড়পা বানের ক্ষত ভুলে বেতগাড়ায় সাড়ম্বরে লক্ষ্মীপুজো
প্রকৃতির রোষে বছরখানেক আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অধিকাংশ বাড়িঘর। ফলে গৃহস্থের বাড়িতে পুজো হয়নি। গ্রামের একমাত্র বড় লক্ষ্মী মন্দিরেও হয়েছিল নিয়মরক্ষার আরাধনা। এ বার ছবিটা আলাদা। পূর্ণিমার সন্ধ্যায় প্রতিটি গৃহস্থের বাড়িতে জ্বলে উঠেছে কোজাগরীর আলো। নুনিয়ারবাড়ি-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারাও সামিল হয়েছেন উৎসবে। স্থানীয় বাসিন্দা সঙ্গীতা রায় বলেন, ‘গত বার লক্ষ্মীপুজোর বাজারও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আগের সকালে ভয়াবহ হড়পা বানে আর পুজো সম্ভব হয়নি। এ বছর সেই আক্ষেপ পুষিয়ে নিয়েছি আনন্দ করে।’ আর এক বাসিন্দা অনিতা রায়ের কথায়, ‘লক্ষ্মীপুজোর আগেই চোখের জলে লক্ষ্মীকে বিদায় দিয়েছিলাম। এ বার সেই যন্ত্রণা ভুলে আরাধনায় মেতে উঠেছি।’ গ্রামের যুব মিলন সঙ্ঘের তিন দশকের পুরোনো পুজোও এ বার হচ্ছে সাড়ম্বরে। ছোট টিনের চালের মন্দিরে নতুন রূপে অধিষ্ঠিত হয়েছেন মা লক্ষ্মী। ধুমধাম করে আনা হয়েছে প্রতিমা। পুজোকে কেন্দ্র করে বসেছে মেলার দোকানপাট। উৎসবে যোগ দিয়েছেন পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দারাও।