Bigg Boss Bangla: ‘সৃজলা-দুর্নিবার ভাই বোন আর রাজবীর-নন্দিনী…’, ঘর থেকে বেরিয়ে বিগ বসের কোন কথা ফাঁস করলেন ভরত কল? | Srijla durnibar and rajbir nandini bharat paul reveals truth bigg boss
রিয়ালিটি শো মানেই কূটকচালি, স্ট্র্যাটেজি, বন্ধুত্ব আর তার সঙ্গে প্রেমের নানা গুঞ্জন। সম্প্রতি ‘বিগ বস বাংলা’ শোয়ে ৫৬ দিন কাটিয়ে বাড়ি ফিরেছেন অভিনেতা ভরত কল। প্রায় দু’মাস ঘরের অন্দরে কাটিয়ে ফেলার পর পরিবার ও মেয়ের কাছে ফিরে তিনি যেমন স্বস্তিতে, তেমনই টিভি নাইন বাংলার কাছে শেয়ার করেছেন বিগ বসের অন্দরের বহু অজানা তথ্য। গেম প্ল্যান থেকে শুরু করে সহ-প্রতিযোগীদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক— কোন বিষয়ে কী বললেন ভরত?
শোয়ে গেম খেলার কোনও স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রবেশ করেননি বলেই স্পষ্ট জানিয়েছেন ভরত কল। তাঁর সাফ কথা, ৩৪ বছরের কেরিয়ারের পর তাঁর কাছে এই তিন মাসই জীবনের শেষ কথা নয়। তবে শোয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল খাবার ও শারীরিক পরিবর্তন। ঝাল খাবার খেতে না পারায় এবং সামগ্রিক রেশনের খাবারে মানিয়ে নিতে গিয়ে তাঁর প্রায় ৮ কেজি ওজন কমে গিয়েছে! তা সত্ত্বেও এই অভিজ্ঞতাকে তিনি জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি হিসেবেই দেখছেন।
বিগ বসের ঘরের অন্যতম চর্চিত বিষয় হল বিভিন্ন প্রতিযোগীদের মধ্যেকার সম্পর্ক। বিশেষ করে দুর্নিবার ও সৃজলার সম্পর্ক নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এই বিষয়ে মুখ খুলে ভরত স্পষ্ট জানান, দুর্নিবার ও সৃজলার মধ্যে কোনও প্রেমের সম্পর্ক নেই। ঘরের অন্দরে সৃজলা বারবার দুর্নিবারকে দাদা এবং নিজেকে বোন বলেই সম্বোধন করেছেন। তবে সৃজলার গেম প্ল্যান ও মিথ্যে বলার প্রবণতা নিয়ে বেশ কড়া মন্তব্য করেছেন ভরত। তাঁর স্পষ্ট দাবি, খেলায় টিকে থাকার জন্য বা হাইলাইট হওয়ার জন্যই অনেক সময় তাঁরা বিভিন্ন সমীকরণ তৈরি করেন। এমনকি সৃজলাকে ‘প্যাথোলজিক্যাল লায়ার’ (Pathological Liar) বলতেও দ্বিধা করেননি তিনি। কেননা, নিজেকে টিকিয়ে রাখতে সৃজলা নাকি নানা সময়ই মিথ্যা কথার সাহায্য নিয়েছে।
রাজবীর ও নন্দিনীর প্রেম কি টেকসই?
অন্যদিকে, ঘরের অন্দরে রাজবীর ও নন্দিনীর রোম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভরত। তাঁর কথায়, শো শেষ হওয়ার পর বাইরে এই সম্পর্ক টিকবে না। ভরত জানান, রাজবীর মুম্বইয়ে কেরিয়ারের জন্য স্ট্রাগল করছেন এবং তিনি জানেন কীভাবে রিয়ালিটি শো খেলতে হয়। অন্যদিকে, নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নন্দিনীও এই জুটির কৌশল বেছে নিয়েছেন। তাই এই প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই বলে মনে করেন এই অভিনেতা।
ঘরের অন্দরে শুরুতে জিতুর সঙ্গে তাঁর কিছু মতপার্থক্য থাকলেও পরবর্তীতে দুজনেই বেশ ভালো বন্ধু হয়ে ওঠেন। জিতু সম্পর্কে ভরত বলেন, ও অত্যন্ত জেনুইন একটা ছেলে এবং ভালো খেলোয়াড়। তবে খেলার খাতিরে অনেকেই অনেক কিছু করলেও তিনি সবসময় নৈতিকতা বজায় রেখে খেলায় বিশ্বাসী ছিলেন। ভিকটিম কার্ড খেলার পসন্দ না করে নিজের ডিগনিটি বজায় রেখেই ৫৬ দিনের জার্নি শেষ করে ঘরে ফিরেছেন ভরত কল। আর বাড়ি ফিরে তাঁর প্রথম পছন্দ কী ছিল জানেন? সব ক্লান্তি দূর করতে সবার আড়ালে অ্য়ালকোহলের বোতল খুলেই সেলিব্রেশন সেরেছেন এই অভিনেতা!