‘তাকসিংয়ের দুই সেক্টর সংবেদনশীল, তবে পরিস্থিতি শান্ত…’ অরুণাচল সীমান্ত নিয়ে বড় আপডেট
নয়াদিল্লি/ইটানগর: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি (LAC) নিয়ে ভারত ও চিনের ভিন্ন ধারণার জেরে অরুণাচল প্রদেশের আসাফিলা ও লংজু সীমান্ত পকেটগুলি অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে।…
নয়াদিল্লি/ইটানগর: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি (LAC) নিয়ে ভারত ও চিনের ভিন্ন ধারণার জেরে অরুণাচল প্রদেশের আসাফিলা ও লংজু সীমান্ত পকেটগুলি অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই এলাকার সামগ্রিক পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অরুণাচলের তাকসিং সার্কেলের (Taksing Circle) অন্তর্ভুক্ত এই দুই এলাকায় নিয়মিত টহলদারির সময় দু’দেশের জওয়ানদের মুখোমুখি হওয়া নতুন কিছু নয়। তবে এখনও পর্যন্ত উভয় পক্ষের সামরিক বাহিনীর মধ্যে কোনো হিংসাত্মক সংঘর্ষের খবর মেলেনি এবং মাঠস্তরের কমান্ডাররা সম্পূর্ণ সংযম ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছেন।
স্থানীয় স্তরে এই ধরনের মুখোমুখি পরিস্থিতি এড়াতে ফ্ল্যাগ মিটিং এবং হটলাইন যোগাযোগের মতো সুনির্দিষ্ট সামরিক ব্যবস্থার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে উচ্চপর্যায়ের সংলাপের প্রক্রিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সম্প্রতি একটি কর্পস কমান্ডার স্তরের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সীমান্ত বিরোধপূর্ণ এই অঞ্চলগুলিতে শান্তি বজায় রাখতে দুই পক্ষের এই ধারাবাহিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম ওই অঞ্চলগুলিতে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। সেখানে সমস্ত ঋতুতে যাতায়াতের উপযোগী রাস্তা, সেতু এবং টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে, যার ফলে জওয়ানদের পাশাপাশি উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। এছাড়া এই অঞ্চলের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ঐতিহাসিক ‘ৎসারি তীর্থক্ষেত্র’ (Tsari pilgrimage circuit)-এর মতো ধর্মীয় সংযোগ। এলাকার নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে এখানে ক্রস-বর্ডার তীর্থযাত্রার সুযোগ নিয়েও ভাবা হতে পারে। মোটের ওপর, কূটনৈতিক আলোচনা, সামরিক স্তরের কড়া নজরদারি এবং সীমান্ত এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমেই অরুণাচলের ওই সংবেদনশীল অঞ্চলে শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা সূত্র।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পাকিস্তান! এলপিজি সিলিন্ডার বিকোচ্ছে ৭০০০ টাকায়
অস্থির রাজধানী! আরশোলাদের আটকাতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২৭৩ কোম্পানির বাড়ল মেয়াদ