Shamonda Virus: পশুর মারণ ভাইরাস ঢুকে পড়ল মানুষের শরীরেও! হল মৃত্যুও, কীভাবে ছড়াচ্ছে স্যামোন্ডা ভাইরাস? | Shamonda Virus: Deadly Animal Virus Spreads to Humans, Claims Lives, How Does It Spread? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Shamonda Virus: পশুর মারণ ভাইরাস ঢুকে পড়ল মানুষের শরীরেও! হল মৃত্যুও, কীভাবে ছড়াচ্ছে স্যামোন্ডা ভাইরাস? | Shamonda Virus: Deadly Animal Virus Spreads to Humans, Claims Lives, How Does It Spread?

Spread the love

প্যারিস: ২০২০ সাল। গোটা বিশ্ব থমকে গিয়েছিল করোনা ভাইরাসের প্রকোপে। সেই সঙ্কট থেকে সেরে উঠতে তিন-চার বছর সময় লেগেছে। এখনও করোনা ভাইরাস যে সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে গিয়েছে, তা নয়। তবে প্রাণঘাতী রূপ আর তেমন নেই। তবে করোনার আতঙ্ক কাটলেও, এখন ভয় ধরাচ্ছে অন্য এক ভাইরাস। সেই আবার পশুবাহিত ভাইরাস। যা প্রবেশে মানব শরীরে এবং তার জেরে মৃত্যুও হয়েছে।

ফ্রান্সে এখন একটি নতুন ভাইরাসের আবির্ভাব হয়েছে। এতদিন যে ভাইরাসে পশুরা আক্রান্ত  হত, এখন তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এর পরেই সারা বিশ্বে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

ফ্রান্সে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসটির নাম স্যামোন্ডা। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ওই ব্যক্তির চিকিৎসা করা হয়েছিল। কিন্তু ফরাসি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়ায়, তিনি মারা যান।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ভাইরাসটি সাধারণত পোকামাকড়ের কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। গবাদি পশুপালকদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকি থাকে। গরু সবথেকে বেশি আক্রান্ত হয় স্যামোন্ডা ভাইরাসে। ছোট পোকামাকড়ই এই ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান উৎস। আগে ধারণা ছিল, এই ভাইরাস মানুষকে সংক্রমিত করে না। কিন্তু এখন মানুষও এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ায় ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের অনুমান, মৃত ব্যক্তি পূর্ব ফ্রান্সে গিয়েছিলেন। সেখানেই হয়তো স্যামোন্ডা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। চলতি বছরের বসন্ত ও গ্রীষ্মে এই ভাইরাসটি গবাদি পশুর মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। ভাইরাসটি ১৯৬০-এর দশক থেকে রয়েছে। এই প্রথম নাইজেরিয়ায় শনাক্ত হয়েছিল। এরপর এটি আফ্রিকা ও জাপানে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে এটি ইউরোপের অনেক দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

চিকিৎসকদের দাবি, গর্ভবতী নারীদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকি থাকে। এই ভাইরাসের জন্য এখনও কোনো চিকিৎসা বা টিকা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *