যোগী রাজ্যে স্কুলের মেয়েদের উত্যক্ত! দাওয়াই দিয়ে হুসেন-তৌফিককে প্যারেড পুলিশের
লখনউ: উত্তর প্রদেশে একটি স্কুলের বাইরে মেয়েদের উত্ত্যক্ত (schoolgirls)করার অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ পুলিশের। এই পদক্ষেপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, শেহবাজ…
লখনউ: উত্তর প্রদেশে একটি স্কুলের বাইরে মেয়েদের উত্ত্যক্ত (schoolgirls)করার অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ পুলিশের। এই পদক্ষেপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, শেহবাজ হুসেন ও মোহাম্মদ তৌফিক নামে দুই যুবক স্কুলের সামনে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করছিলেন। পরে স্থানীয় পুলিশ তাঁদের আটক করে রাস্তায় প্যারেড করায়। এই ঘটনাকে অনেকে ‘বাবা পুলিশ’ বলে উল্লেখ করছেন।
উত্তর প্রদেশে মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারের মিশন শক্তি অভিযান চলছে। এই অভিযানের আওতায় পুলিস প্রায়ই অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড মোতায়েন করে। স্কুল-কলেজের আশপাশে মেয়েদের উত্ত্যক্ত, অশ্লীল মন্তব্য বা অনুসরণ করার ঘটনা রুখতে এ ধরনের অভিযান চালানো হয়। সাম্প্রতিক এক ঘটনায় প্রতাপগড়েও অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে পুলিশ দুই যুবককে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যায় এবং জনসমক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ কর্মীরা দুই যুবককে সামনে রেখে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। (schoolgirls)স্থানীয়রা এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন। অনেকে বলছেন, এ ধরনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ অন্যদের মধ্যে ভয় তৈরি করে এবং মেয়েদের নিরাপত্তা বাড়ায়। আবার কেউ কেউ মনে করেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উত্তর প্রদেশে গত কয়েক বছরে মেয়েদের বিরুদ্ধে অপরাধ কমাতে প্রশাসন বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। মিশন শক্তির আওতায় সচেতনতা অভিযান, হেল্পলাইন এবং দ্রুত অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্কুল ও কলেজের বাইরে নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশের উপস্থিতিও বাড়ানো হয়েছে। তবুও মাঝে মাঝে উত্ত্যক্তির ঘটনা ঘটে, যা সামাজিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই ধরনের ঘটনায় পুলিশের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াকে অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, মেয়েদের স্কুলে যাওয়া-আসা নিরাপদ রাখতে কঠোর মনোভাব দরকার। একই সঙ্গে মানবাধিকারকর্মীরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, কোনো অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করার আগে যথাযথ তদন্ত হওয়া জরুরি। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে পরবর্তীতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে (schoolgirls)। কেউ এটিকে কঠোর প্রশাসনের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, কেউ আবার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে উত্তর প্রদেশে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের জোর অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, সচেতনতা ও শিক্ষার মাধ্যমেও এ ধরনের আচরণ কমানো সম্ভব। পরিবার, স্কুল ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে মেয়েরা নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে। পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সামাজিক দায়িত্বও সমান জরুরি।