বস্ত্র শিল্পে নয়া অধ্যায়! বারাণসীতে ১০০ কোটির নতুন ইউনিট অরবিন্দ মিলসের
লখনউ: উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে বস্ত্র শিল্পের এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে(Arvind Mills)। অরবিন্দ মিলসের প্রায় ১০০ কোটি টাকার একটি নতুন ইউনিট মির্জামুরাদে প্রস্তুত হয়েছে।…
লখনউ: উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে বস্ত্র শিল্পের এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে(Arvind Mills)। অরবিন্দ মিলসের প্রায় ১০০ কোটি টাকার একটি নতুন ইউনিট মির্জামুরাদে প্রস্তুত হয়েছে। আগামীকাল ২৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ইউনিটের উদ্বোধন করবেন। এই প্রকল্পকে পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মির্জামুরাদের খোচওয়াঁ গ্রামে জাতীয় সড়কের পাশে প্রায় সাত থেকে আট একর জমিতে এই কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। (Arvind Mills)২০২৪ সালের এপ্রিলে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এই ইউনিটে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি হবে। জকি, ইউএস পোলো, অ্যারোসহ বিভিন্ন নামকরা ব্র্যান্ডের জন্য স্পোর্টসওয়্যার, আন্ডারগার্মেন্টস, শার্ট ও টি-শার্ট উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও দেখুনঃ ঝুঁকিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার দিওয়ালি ব্যবসা! রাহুলকে র্যালি পেছানোর আর্জি ব্যবসায়ীদের
এই কারখানা চালু হলে এক হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে স্থানীয় প্রায় ৩০০ মহিলা ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। (Arvind Mills)তাঁরা কারখানায় কাজ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় গ্রামের মহিলারা এই সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই বলছেন, বাড়ির কাছেই ভালো কাজ পাওয়ায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা উন্নত হবে।
বারাণসীর জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকার এই প্রকল্পকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সম্প্রতি এই ইউনিট পরিদর্শন করেছেন এবং প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন। তিনি প্রশিক্ষণরত মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
অরবিন্দ মিলস গুজরাতভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠিত বস্ত্র কোম্পানি। পূর্বাঞ্চলে তাদের এটি প্রথম উৎপাদন ইউনিট। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উচ্চমানের পোশাক তৈরি করা হবে। ভবিষ্যতে দ্বিতীয় পর্যায়ে বিনিয়োগ বাড়িয়ে উৎপাদন ক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এই ইউনিটের পাশাপাশি বারাণসীতে একটি টেক্সটাইল পার্কও গড়ে তোলার কাজ চলছে। এর ফলে পূর্বাঞ্চল ধীরে ধীরে বস্ত্র ও গার্মেন্টস উৎপাদনের একটি নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।(Arvind Mills) স্থানীয় যুবক-যুবতীরা দক্ষতা অর্জন করে এই শিল্পে যুক্ত হতে পারবেন। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়লে অভিবাসনও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা এই উন্নয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান এলে এলাকার অর্থনীতি চাঙা হবে। ছোট ব্যবসাও উপকৃত হবে। কাঁচামাল সরবরাহ থেকে শুরু করে পরিবহন পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।