পথে বসে বক্সার মহা গ্রামসভার যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের সদস্যরা।
তিনি বলেন, ‘বক্সার গ্রামের মানুষের সদর্থক ভূমিকা না-থাকলে, তাঁদের সহযোগিতা না-থাকলে কিছুতেই বক্সায় বাঘের রি-ইন্ট্রোডাকশন সম্ভব হতো না।’ তাঁর প্রশ্ন, ‘তা হলে এখন কেন তাঁদের দাবি গুরুত্ব পাবে না?’ আন্দোলনের জেরে টানা ১৭ দিন ধরে বক্সায় জিপ সাফারি বন্ধ। গোটা পুজোর মরশুমে পর্যটকরা অনুপস্থিত বক্সায়। বনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে সবকিছু মিটিয়ে নেব।’