Chorbagan Stampede: 'আমার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে থানায় ধরা দিচ্ছি', ২৭ তারিখ পর্যন্ত নাকি লুকিয়ে থাকতে বলা হয়েছিল ওঁকে, চোরবাগানকাণ্ডে আত্মসমর্পণ আরও এক ঘোষকের, করলেন ফেসবুক লাইভ | Chorbagan Incident: Second Announcer Arrested After Going Live on Facebook Before Surrender - 24 Ghanta Bangla News
Home

Chorbagan Stampede: ‘আমার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে থানায় ধরা দিচ্ছি’, ২৭ তারিখ পর্যন্ত নাকি লুকিয়ে থাকতে বলা হয়েছিল ওঁকে, চোরবাগানকাণ্ডে আত্মসমর্পণ আরও এক ঘোষকের, করলেন ফেসবুক লাইভ | Chorbagan Incident: Second Announcer Arrested After Going Live on Facebook Before Surrender

Spread the love

বাঁদিকে কুশল, ডান দিকে, তাঁর স্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: চোরবাগান বিপর্যয়ে গ্রেফতার আরও একজন ঘোষক। বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল মাইকের ঘোষক সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে। এবার আটক কুশল মজুমদার নামে আরও এক ঘোষক। ফেসবুক লাইভ করে কুশল দাবি করেন, ঘটনার পর ক্লাবের কর্তারা তাঁকে লুকিয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, “আমি একজন উবের ড্রাইভার। আমিও মাইকে বলেছিলাম। তবে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। পাড়ার বড়রা বলল, এখন সবাই লুকিয়ে পর। ২ দিন পর থানা থেকে ফোন আসে। আমি থানায় যাব বলে বেরও হই। কিন্তু পাড়া থেকে একজন ফোন করে বলে, ২৭ তারিখের আগে যাবি না। আমি থানায় গিয়ে ধরা দিচ্ছি। আমার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে থানায় গিয়ে হাজিরা দিলাম।” থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করা হয়েছে।

পুলিশের কাছে এখন বেশ কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে। কার নির্দেশে মাইকে ঘোষণা করা হয়েছিল? নাকি নিজেরা গিয়ে মাইকে ঘোষণা করেছিলেন ওঁরা? যদি নিজেরাই করে থাকেন, তাহলে কি স্বচক্ষে প্যান্ডেলে ভেঙে পড়তে পারার মতো পরিস্থিতি তাঁরা দেখেছিলেন? নাকি এমনিই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন? এই সব কটি বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

যদিও কুশলের স্ত্রী বলেছেন, “মাইকিংয়ে সেন্টু দা আর ও দুজনেই ছিল। তবে ঘোষণা কে করেছিল, জানি না। ও তো খুব একটা ঘোষণা করতে পারে না। এখন করলেও ভয়ে আর আমাকে কিছু বলবে না। তবে এটুকু জানতে পেরেছি, কেউ ভিতর থেকে ওদের বলেছিল ঘোষণাটা করতে। ও প্রথমেই বলেছিল আমি সামনে আসব, থানায় যাব। কিন্তু মাঠ থেকে বড় কোনও বাবু বলেছিল, ২৭ তারিখের আগে যাস না।”

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই বলেছেন, প্যান্ডেল ভেঙে পড়েছে, বা পড়তে পারার মতো কোনও পরিস্থিতি তিনি দেখেননি। তাঁর কথায়, “এটা মানুষের ভুল। আর সেই মানুষটা কোন জ্যাকেট পরেছিল, কোন জামা পরেছিল, কী লোগোতে ছিল, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেখবে।” মুখ্যমন্ত্রীর মতে, “মাইকে তো বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়বে। আমি তো মাঝ রাতে ২টোর সময়ে গিয়ে দেখেছি, তখন তো প্যান্ডেল ভেঙে পড়েনি। আমি তো নিজেই গোটা প্যান্ডেল ঘুরে দেখেছি। এটা দরকার ছিল না। যাঁরা দড়িটা ধরে দাঁড়িয়েছিল, তাঁদের দড়িটা ছেড়ে যাওয়ার দরকার ছিল না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *