১.৬০ লক্ষের Bajaj Pulsar NS200-তে Ride-by-Wire, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল - 24 Ghanta Bangla News
Home

১.৬০ লক্ষের Bajaj Pulsar NS200-তে Ride-by-Wire, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল

Spread the love

গুরুগাঁও: Bajaj Pulsar NS200-তে বড়সড় ফিচার আপডেট আনল Bajaj Auto। এবার এই স্পোর্টি মোটরসাইকেলে যুক্ত হল Ride-by-Wire প্রযুক্তি, রাইডিং মোড, নতুন ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে…

গুরুগাঁও: Bajaj Pulsar NS200-তে বড়সড় ফিচার আপডেট আনল Bajaj Auto। এবার এই স্পোর্টি মোটরসাইকেলে যুক্ত হল Ride-by-Wire প্রযুক্তি, রাইডিং মোড, নতুন ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে এবং ট্র্যাকশন কন্ট্রোল। এত দিন সংস্থার নতুন Pulsar মডেলগুলিতে এই ধরনের আপডেট দেখা গেলেও এবার সেগুলি পেল NS200। নতুন ফিচারের পাশাপাশি ইঞ্জিনের শক্তিও বেড়েছে। দিল্লিতে বাইকটির এক্স-শোরুম দাম রাখা হয়েছে ১,৬০,৩৭৪ টাকা।

নতুন TFT ডিসপ্লে, Google Maps মিররিং

নতুন Pulsar NS200-তে আগের LCD ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টারের পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে ৫ ইঞ্চির TFT কনসোল। এতে Google Maps মিররিংয়ের সুবিধা রয়েছে, ফলে নেভিগেশনের তথ্য ডিসপ্লেতে দেখা যাবে। শহরের ব্যস্ত রাস্তায় কিংবা অচেনা পথে যাতায়াতের সময় এই ফিচার চালকদের কাজে আসতে পারে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল Electronic Throttle-by-Wire বা ETB প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে একাধিক রাইডিং মোড ব্যবহারের সুবিধা মিলবে। বাইকের ফিচার তালিকায় রয়েছে Sports Shifter, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল, অ্যাডজাস্টেবল লিভার, Panic Brake Alert, USB Type-C চার্জিং পোর্ট এবং হ্যাজার্ড সুইচ। এই আপডেটের ফলে NS200-র প্রযুক্তিগত প্যাকেজ আগের তুলনায় আরও উন্নত হয়েছে।

ইঞ্জিন একই, শক্তি বেড়ে ২৫.৫ HP

নতুন ফিচার যুক্ত হলেও বাইকটির মূল ইঞ্জিন কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে আগের মতোই ১৯৯.৫ সিসির চার-ভালভ, লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে ছয়-গতির গিয়ারবক্স।

তবে সর্বোচ্চ শক্তি বেড়ে হয়েছে ২৫.৫ HP, যা আগের ২৪.৫ HP-র তুলনায় বেশি। ফলে নতুন NS200-তে প্রযুক্তিগত উন্নতির পাশাপাশি পারফরম্যান্সেও সামান্য পরিবর্তন এসেছে। Bajaj-এর Pulsar NS সিরিজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য পেরিমিটার ফ্রেমও রাখা হয়েছে, যা বাইকের হ্যান্ডলিং ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩৭ মিমি USD ফর্ক, পিছনে চওড়া টায়ার

হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তন এনেছে Bajaj। সামনের সাসপেনশনে আগের ৩৩ মিমি ইউনিটের পরিবর্তে এবার দেওয়া হয়েছে মোটা ৩৭ মিমি আপসাইড-ডাউন ফর্ক। পিছনের টায়ারের মাপ ১৩০/৭০ R17। এই পরিবর্তনগুলি বাইকের সামনের অংশের দৃঢ়তা এবং রাস্তার সঙ্গে সংযোগের অনুভূতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বাস্তব রাইডিং অভিজ্ঞতায় কতটা পার্থক্য তৈরি হবে, তা চালানোর অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষার উপর নির্ভর করবে।

Bajaj-এর বক্তব্যে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে জোর

Bajaj Auto-র টু-হুইলার বিজনেস ইউনিটের চিফ বিজনেস অফিসার Sarang Kanade জানিয়েছেন, Pulsar-এর পরিচিতি এত দিন মূলত শক্তি ও পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তবে চালক কতটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এবং সহজে সেই শক্তি ব্যবহার করতে পারছেন, সেটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ। NS200-র নতুন প্রযুক্তিগত আপডেটের মাধ্যমে বিভিন্ন রাইডিং পরিস্থিতিতে বাইকটিকে আরও মানিয়ে নেওয়ার উপযোগী করে তোলাই সংস্থার লক্ষ্য।

১.৬০ লক্ষ টাকায় কতটা আকর্ষণীয় নতুন NS200?

Bajaj Pulsar-এর NS, N, RS এবং OG সিরিজের মধ্যে NS200-কে পারফরম্যান্স ও দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্যতার মাঝামাঝি অবস্থানে রাখা যায়। পেরিমিটার ফ্রেম, চার-ভালভ ইঞ্জিন এবং ছয়-গতির গিয়ারবক্সের জন্য মডেলটি আগে থেকেই পরিচিত। এবার TFT ডিসপ্লে, নেভিগেশন মিররিং, রাইডিং মোড ও ট্র্যাকশন কন্ট্রোল যুক্ত হওয়ায় বাইকটি আরও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠল।

দিল্লিতে ১,৬০,৩৭৪ টাকা এক্স-শোরুম দামে নতুন Pulsar NS200 এমন ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে পারে, যাঁরা স্পোর্টি পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আধুনিক ইলেকট্রনিক ফিচারও চান। তবে কেনার আগে নিজের শহরের অন-রোড দাম এবং নতুন ফিচারগুলির নির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি ডিলারের কাছ থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *