বঙ্গোপসাগরে ঘনাচ্ছে নতুন নিম্নচাপ, শক্তি বাড়িয়ে কবে ধেয়ে আসবে ঘূর্ণিঝড়?
কলকাতা/নয়াদিল্লি: পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ঘনিয়ে আসছে দুর্যোগের মেঘ। থাইল্যান্ড উপসাগর ও সংলগ্ন মায়ানমার উপকূলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তটি গত কদিন আগেই উত্তর আন্দামান…
কলকাতা/নয়াদিল্লি: পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ঘনিয়ে আসছে দুর্যোগের মেঘ। থাইল্যান্ড উপসাগর ও সংলগ্ন মায়ানমার উপকূলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তটি গত কদিন আগেই উত্তর আন্দামান সাগরে প্রবেশ করেছিল। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস মতো সেই সিস্টেমটি আরও ঘনীভূত হয়ে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর ও আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মডেলগুলির অনুমান, ক্রমান্বয়ে শক্তি বাড়িয়ে এটি আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে। আর এই সম্ভাব্য সাইক্লোনের পূর্বাভাস ঘিরেই নতুন করে উপকূলবর্তী অঞ্চলে শুরু হয়েছে জল্পনা ও সতর্কতা।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫.৮ কিমি উচ্চতায় থাকা এই ঘূর্ণাবর্তটি শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপের রূপ নেওয়ার পর পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে শুরু করেছে। আবহাও বিজ্ঞানীদের একাংশের অনুমান, আগামী রবিবার বা সোমবারের মধ্যে এটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। যদিও এটি শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে সাইক্লোনে রূপ নেবে কি না এবং তার গতিপথ ঠিক কোন দিকে হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার রিপোর্টের ওপর নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আগাম সতর্কতা হিসেবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর নাগাদ ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে সমুদ্রে যাতে কোনো বিপত্তি না ঘটে, সেই কারণে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে এবং যাঁরা গভীরে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত উপকূলে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে ধোঁয়াশা
প্রাথমিকভাবে এই নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোলে পূর্ব ভারতের উপকূলীয় রাজ্যগুলিতে এর পরোক্ষ প্রভাব পড়ার কথা। ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে এর প্রভাব বেশি পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও, পরবর্তীতে সিস্টেমটি দিক পরিবর্তন করে উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিলে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও এর জেরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া তৈরি হতে পারে। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দপ্তরের তরফে নির্দিষ্ট করে কোনো বড় সতর্কবার্তা বা ভয়ের কারণ নেই বলেই জানানো হয়েছে। তবুও সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও আবহাওয়া দপ্তরের প্রতিটি নতুন বুলেটিনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে।
চোরবাগান-কাণ্ড: আটক দ্বিতীয় ঘোষক কুশল মজুমদার, নেপথ্যে কার নির্দেশ?
চিন সীমান্তে সংঘাত অব্যাহত, ITBP ডিজিপির মন্তব্যের পরেই কেন্দ্রকে আক্রমণ কংগ্রেসের