কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে SIT ও ফরেন্সিক দল
কলকাতা: উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব মণ্ডপে মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে আজ বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছাল বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। কলকাতা…
কলকাতা: উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব মণ্ডপে মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে আজ বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছাল বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে গঠিত ৬ সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের দলটির সঙ্গে এদিন একটি ফরেন্সিক দলও উপস্থিত ছিল। মণ্ডপের অন্দরমহল ও বাইরের চত্বর থেকে তাঁরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও নমুনা সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
এ দিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ চোরবাগান সর্বজনীনের পুজোমণ্ডপে পৌঁছন SIT-এর সদস্যরা। গত শনিবার (প্রথম সপ্তমী) সন্ধ্যায় উপচে পড়া ভিড় ও বিশৃঙ্খলার জেরে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এই বিপত্তি ঘটেছিল, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পুনর্নির্মাণ করার চেষ্টা করেন তদন্তকারীরা।
ঘটনার নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে প্রধানত যে বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে-
ভিড়ের চাপ ও দর্শনার্থী সংখ্যা: মণ্ডপের ঠিক কোন অংশে এবং কোন সময়ে প্রথম মানুষের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছিল, তা চিহ্নিত করা। নির্ধারিত ক্ষমতার চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা অতিরিক্ত ছিল কি না, তা যাচাই করা।
গুজবের প্রভাব: মণ্ডপ ভেঙে পড়ার কোনো ভুয়া ঘোষণা বা গুজব ছড়িয়েছিল কি না এবং তার জেরে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা।
বৃষ্টির প্রভাব: সেদিন সন্ধ্যার আকস্মিক বৃষ্টিও ভিড় নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের প্রভাব ফেলেছিল, তা তদন্তের অন্যতম বিচার্য বিষয়।
কী ঘটেছিল?
গত সপ্তমী সন্ধ্যায় চোরবাগান মণ্ডপে হাজার হাজার দর্শনার্থী সমাগম হয়েছিল। হঠাৎ বৃষ্টি নামায় অনেকেই মণ্ডপ চত্বর ছেড়ে বাইরে না গিয়ে গেটের কাছে আশ্রয় নেন, অন্যদিকে ভিতর থেকেও নতুন দর্শনার্থীরা প্রবেশের চেষ্টা করায় প্রচণ্ড ধাক্কাধাক্কি ও পদপিষ্টের মর্মান্তিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই দুর্ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণহানির পাশাপাশি ২৫ জন আহত হন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে গঠিত এই বিশেষ দলটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে।
পুজো মিটতেই ফের দুর্যোগের মেঘ! বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা
চোরবাগান বিপর্যয়ের কারণ খুঁজবে বিশেষ তদন্তকারী দল, তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট