ব্যাটারি, ক্যামেরা ও দামে কে এগিয়ে?
নয়াদিল্লি: প্রিমিয়াম অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের বাজারে OnePlus 16 এবং iQOO 16-এর মধ্যে তুলনা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। একই Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 প্রসেসর, সর্বোচ্চ ১৬ জিবি র্যাম এবং ১ টিবি স্টোরেজের বিকল্প থাকলেও ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি ও চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে ফোন দুটির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, চিনের বাজারে দুই ফোনেরই প্রাথমিক দাম ৫,৯৯৯ ইউয়ান, ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৮৬ হাজার টাকা। তবে ভারতে ফোন দুটির আনুষ্ঠানিক লঞ্চের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
গেমিং, উচ্চ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স যাঁদের অগ্রাধিকার, তাঁদের কাছে ফোন দুটি আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারে। তবে কোন মডেলটি বেশি উপযোগী, তা নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের উপর।
OnePlus 16 ও iQOO 16: দাম কত?
চিনের বাজারে দুই ফোনের র্যাম ও স্টোরেজ অনুযায়ী দাম একই রাখা হয়েছে বলে সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
| ভ্যারিয়েন্ট | OnePlus 16 | iQOO 16 |
| ১২ জিবি + ২৫৬ জিবি | ৫,৯৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৮৬,০০০ | ৫,৯৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৮৬,০০০ |
| ১২ জিবি + ৫১২ জিবি | ৬,৭৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৯৭,০০০ | ৬,৭৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৯৭,০০০ |
| ১৬ জিবি + ৫১২ জিবি | ৭,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,০৭,০০০ | ৭,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,০৭,০০০ |
| ১৬ জিবি + ১ টিবি | ৮,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,২১,০০০ | ৮,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,২১,০০০ |
OnePlus 16 পাওয়া যাচ্ছে টুমরোজ স্টার, মার্শিয়ান মাস্টারপিস এবং ডার্ক ফরেস্ট রঙে। অন্যদিকে, iQOO 16-এর রঙের বিকল্পের মধ্যে রয়েছে চেজিং দ্য লাইট, লেজেন্ড এবং রেসিং ট্র্যাক। এগুলি চিনা নামের ইংরেজি অনুবাদ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউয়ান থেকে টাকায় রূপান্তর করা অঙ্কগুলি আনুমানিক। ভারতে লঞ্চ হলে প্রকৃত দাম, কর এবং ভ্যারিয়েন্টের প্রাপ্যতা আলাদা হতে পারে।
ডিসপ্লেতে এগিয়ে iQOO 16, রিফ্রেশ রেটে বিশেষ সুবিধা OnePlus-এর
OnePlus 16-এ রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। সাধারণ ব্যবহারে এর রিফ্রেশ রেট সর্বোচ্চ ১৬৫ হার্টজ। নির্দিষ্ট সমর্থিত গেমে রিফ্রেশ রেট ১৮৫ হার্টজ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, iQOO 16-এ রয়েছে আরও বড় ৬.৮৫ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যার রেজোলিউশন ২কে এবং রিফ্রেশ রেট সর্বোচ্চ ১৬৫ হার্টজ। বেশি রেজোলিউশনের কারণে ভিডিও দেখা, ছবি উপভোগ করা এবং অন্যান্য দৃশ্যনির্ভর কাজে iQOO 16 আকর্ষণীয় হতে পারে। অন্যদিকে, সমর্থিত গেমে ১৮৫ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের সুবিধা কার্যকর হলে OnePlus 16 গেমারদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।
জল ও ধুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার ক্ষেত্রেও ফোন দুটির রেটিং আলাদা। OnePlus 16-এ আইপি৬৬, আইপি৬৮, আইপি৬৯ এবং আইপি৬৯কে রেটিংয়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। iQOO 16-এ রয়েছে আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ রেটিং। তবে এই রেটিংগুলির বাস্তব প্রয়োগ নির্দিষ্ট পরীক্ষার শর্তের উপর নির্ভর করে।
একই শক্তিশালী প্রসেসর, আলাদা গেমিং ব্যবস্থা
দুই স্মার্টফোনেই রয়েছে কোয়ালকমের Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 চিপসেট। সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, এটি ২ ন্যানোমিটার প্রক্রিয়ায় তৈরি। দুই ফোনেই সর্বোচ্চ ১৬ জিবি এলপিডিডিআর৫এক্স আলট্রা র্যাম এবং ১ টিবি ইউএফএস ৪.১ স্টোরেজের বিকল্প রয়েছে।
OnePlus 16-এ রয়েছে পি৪ সুপার ডিসপ্লে চিপ, লিংশি টাচ চিপ এবং জি৩ ই-স্পোর্টস নেটওয়ার্ক চিপের মতো বিশেষায়িত ব্যবস্থা। এগুলি ডিসপ্লে, টাচ রেসপন্স এবং গেমিংয়ের সময় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করার জন্য তৈরি।
অন্যদিকে, iQOO 16-এ রয়েছে আলাদা কিউ৪ গেমিং চিপ। ফলে গেমিং-কেন্দ্রিক ব্যবহারকারীদের জন্য দুই ফোনেই অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার সুবিধার কথা বলা হয়েছে, যদিও বাস্তবে পারফরম্যান্সের পার্থক্য বুঝতে স্বাধীন পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।
সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে OnePlus 16-এ অ্যান্ড্রয়েড ১৭-ভিত্তিক কালারওএস ১৭ এবং iQOO 16-এ অ্যান্ড্রয়েড ১৭-ভিত্তিক অরিজিনওএস ৭ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যাটারিতে বড় সুবিধা OnePlus 16-এর
ব্যাটারির ক্ষমতায় OnePlus 16 এগিয়ে। ফোনটিতে রয়েছে ৯,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, সঙ্গে ১০০ ওয়াট তারযুক্ত এবং ৫০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের সুবিধা।
iQOO 16-এ রয়েছে ৮,৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এই ফোনেও ১০০ ওয়াট তারযুক্ত চার্জিং রয়েছে, তবে ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের ক্ষমতা ৪০ ওয়াট।
কাগজে-কলমে OnePlus 16-এর ব্যাটারি বড় এবং ওয়্যারলেস চার্জিংও দ্রুততর। তবে প্রকৃত ব্যাটারি ব্যাকআপ নির্ভর করবে ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট, গেমিং, নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের উপর।
ক্যামেরায় ২০০ মেগাপিক্সেলের সুবিধা OnePlus-এর
ক্যামেরার ক্ষেত্রে OnePlus 16-এ রয়েছে তিনটি রিয়ার ক্যামেরা। মূল ক্যামেরাটি ২০০ মেগাপিক্সেলের এবং এতে অপটিক্যাল ইমেজ স্টেবিলাইজেশন বা ওআইএস রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা। সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য সামনে রয়েছে অটোফোকাস-সহ ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।
অন্যদিকে, iQOO 16-এ রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা, ৫০ মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা। সেলফি ক্যামেরাটি ৩২ মেগাপিক্সেলের।
মূল ক্যামেরার রেজোলিউশন এবং সেলফি ক্যামেরার মেগাপিক্সেলের নিরিখে OnePlus 16-এর কাগুজে সুবিধা রয়েছে। তবে শুধু মেগাপিক্সেল দিয়ে ছবির মান বিচার করা যায় না। সেন্সরের আকার, লেন্স, ইমেজ প্রসেসিং এবং কম আলোয় পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ।
কোন ফোনটি কার জন্য?
OnePlus 16 তাঁদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে, যাঁরা বড় ব্যাটারি, দ্রুত ওয়্যারলেস চার্জিং, উচ্চ রিফ্রেশ রেটের গেমিং ডিসপ্লে এবং উচ্চ রেজোলিউশনের ক্যামেরাকে অগ্রাধিকার দেন। ৫০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরাও এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।
অন্যদিকে, iQOO 16 বিবেচনা করতে পারেন সেই ব্যবহারকারীরা, যাঁরা ২কে রেজোলিউশনের বড় ডিসপ্লে, বিশেষায়িত গেমিং চিপ এবং পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা চান। এর ৮,৪০০ এমএএইচ ব্যাটারিও যথেষ্ট বড়, যদিও ক্ষমতার নিরিখে OnePlus 16 এগিয়ে।
দুই ফোনের প্রাথমিক দাম সমান হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি এবং সফটওয়্যারের পার্থক্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে ভারতে আনুষ্ঠানিক লঞ্চ, প্রকৃত দাম এবং স্বাধীন পারফরম্যান্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।
নয়াদিল্লি: প্রিমিয়াম অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের বাজারে OnePlus 16 এবং iQOO 16-এর মধ্যে তুলনা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। একই Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 প্রসেসর, সর্বোচ্চ ১৬ জিবি র্যাম এবং ১ টিবি স্টোরেজের বিকল্প থাকলেও ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি ও চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে ফোন দুটির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, চিনের বাজারে দুই ফোনেরই প্রাথমিক দাম ৫,৯৯৯ ইউয়ান, ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৮৬ হাজার টাকা। তবে ভারতে ফোন দুটির আনুষ্ঠানিক লঞ্চের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
গেমিং, উচ্চ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স যাঁদের অগ্রাধিকার, তাঁদের কাছে ফোন দুটি আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারে। তবে কোন মডেলটি বেশি উপযোগী, তা নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের উপর।
OnePlus 16 ও iQOO 16: দাম কত?
চিনের বাজারে দুই ফোনের র্যাম ও স্টোরেজ অনুযায়ী দাম একই রাখা হয়েছে বলে সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
| ভ্যারিয়েন্ট | OnePlus 16 | iQOO 16 |
| ১২ জিবি + ২৫৬ জিবি | ৫,৯৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৮৬,০০০ | ৫,৯৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৮৬,০০০ |
| ১২ জিবি + ৫১২ জিবি | ৬,৭৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৯৭,০০০ | ৬,৭৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹৯৭,০০০ |
| ১৬ জিবি + ৫১২ জিবি | ৭,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,০৭,০০০ | ৭,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,০৭,০০০ |
| ১৬ জিবি + ১ টিবি | ৮,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,২১,০০০ | ৮,৪৯৯ ইউয়ান, প্রায় ₹১,২১,০০০ |
OnePlus 16 পাওয়া যাচ্ছে টুমরোজ স্টার, মার্শিয়ান মাস্টারপিস এবং ডার্ক ফরেস্ট রঙে। অন্যদিকে, iQOO 16-এর রঙের বিকল্পের মধ্যে রয়েছে চেজিং দ্য লাইট, লেজেন্ড এবং রেসিং ট্র্যাক। এগুলি চিনা নামের ইংরেজি অনুবাদ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউয়ান থেকে টাকায় রূপান্তর করা অঙ্কগুলি আনুমানিক। ভারতে লঞ্চ হলে প্রকৃত দাম, কর এবং ভ্যারিয়েন্টের প্রাপ্যতা আলাদা হতে পারে।
ডিসপ্লেতে এগিয়ে iQOO 16, রিফ্রেশ রেটে বিশেষ সুবিধা OnePlus-এর
OnePlus 16-এ রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। সাধারণ ব্যবহারে এর রিফ্রেশ রেট সর্বোচ্চ ১৬৫ হার্টজ। নির্দিষ্ট সমর্থিত গেমে রিফ্রেশ রেট ১৮৫ হার্টজ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, iQOO 16-এ রয়েছে আরও বড় ৬.৮৫ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যার রেজোলিউশন ২কে এবং রিফ্রেশ রেট সর্বোচ্চ ১৬৫ হার্টজ। বেশি রেজোলিউশনের কারণে ভিডিও দেখা, ছবি উপভোগ করা এবং অন্যান্য দৃশ্যনির্ভর কাজে iQOO 16 আকর্ষণীয় হতে পারে। অন্যদিকে, সমর্থিত গেমে ১৮৫ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের সুবিধা কার্যকর হলে OnePlus 16 গেমারদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।
জল ও ধুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার ক্ষেত্রেও ফোন দুটির রেটিং আলাদা। OnePlus 16-এ আইপি৬৬, আইপি৬৮, আইপি৬৯ এবং আইপি৬৯কে রেটিংয়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। iQOO 16-এ রয়েছে আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ রেটিং। তবে এই রেটিংগুলির বাস্তব প্রয়োগ নির্দিষ্ট পরীক্ষার শর্তের উপর নির্ভর করে।
একই শক্তিশালী প্রসেসর, আলাদা গেমিং ব্যবস্থা
দুই স্মার্টফোনেই রয়েছে কোয়ালকমের Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 চিপসেট। সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী, এটি ২ ন্যানোমিটার প্রক্রিয়ায় তৈরি। দুই ফোনেই সর্বোচ্চ ১৬ জিবি এলপিডিডিআর৫এক্স আলট্রা র্যাম এবং ১ টিবি ইউএফএস ৪.১ স্টোরেজের বিকল্প রয়েছে।
OnePlus 16-এ রয়েছে পি৪ সুপার ডিসপ্লে চিপ, লিংশি টাচ চিপ এবং জি৩ ই-স্পোর্টস নেটওয়ার্ক চিপের মতো বিশেষায়িত ব্যবস্থা। এগুলি ডিসপ্লে, টাচ রেসপন্স এবং গেমিংয়ের সময় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করার জন্য তৈরি।
অন্যদিকে, iQOO 16-এ রয়েছে আলাদা কিউ৪ গেমিং চিপ। ফলে গেমিং-কেন্দ্রিক ব্যবহারকারীদের জন্য দুই ফোনেই অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার সুবিধার কথা বলা হয়েছে, যদিও বাস্তবে পারফরম্যান্সের পার্থক্য বুঝতে স্বাধীন পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।
সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে OnePlus 16-এ অ্যান্ড্রয়েড ১৭-ভিত্তিক কালারওএস ১৭ এবং iQOO 16-এ অ্যান্ড্রয়েড ১৭-ভিত্তিক অরিজিনওএস ৭ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যাটারিতে বড় সুবিধা OnePlus 16-এর
ব্যাটারির ক্ষমতায় OnePlus 16 এগিয়ে। ফোনটিতে রয়েছে ৯,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, সঙ্গে ১০০ ওয়াট তারযুক্ত এবং ৫০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের সুবিধা।
iQOO 16-এ রয়েছে ৮,৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এই ফোনেও ১০০ ওয়াট তারযুক্ত চার্জিং রয়েছে, তবে ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের ক্ষমতা ৪০ ওয়াট।
কাগজে-কলমে OnePlus 16-এর ব্যাটারি বড় এবং ওয়্যারলেস চার্জিংও দ্রুততর। তবে প্রকৃত ব্যাটারি ব্যাকআপ নির্ভর করবে ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট, গেমিং, নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের উপর।
ক্যামেরায় ২০০ মেগাপিক্সেলের সুবিধা OnePlus-এর
ক্যামেরার ক্ষেত্রে OnePlus 16-এ রয়েছে তিনটি রিয়ার ক্যামেরা। মূল ক্যামেরাটি ২০০ মেগাপিক্সেলের এবং এতে অপটিক্যাল ইমেজ স্টেবিলাইজেশন বা ওআইএস রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা। সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য সামনে রয়েছে অটোফোকাস-সহ ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।
অন্যদিকে, iQOO 16-এ রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা, ৫০ মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা। সেলফি ক্যামেরাটি ৩২ মেগাপিক্সেলের।
মূল ক্যামেরার রেজোলিউশন এবং সেলফি ক্যামেরার মেগাপিক্সেলের নিরিখে OnePlus 16-এর কাগুজে সুবিধা রয়েছে। তবে শুধু মেগাপিক্সেল দিয়ে ছবির মান বিচার করা যায় না। সেন্সরের আকার, লেন্স, ইমেজ প্রসেসিং এবং কম আলোয় পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ।
কোন ফোনটি কার জন্য?
OnePlus 16 তাঁদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে, যাঁরা বড় ব্যাটারি, দ্রুত ওয়্যারলেস চার্জিং, উচ্চ রিফ্রেশ রেটের গেমিং ডিসপ্লে এবং উচ্চ রেজোলিউশনের ক্যামেরাকে অগ্রাধিকার দেন। ৫০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরাও এর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।
অন্যদিকে, iQOO 16 বিবেচনা করতে পারেন সেই ব্যবহারকারীরা, যাঁরা ২কে রেজোলিউশনের বড় ডিসপ্লে, বিশেষায়িত গেমিং চিপ এবং পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা চান। এর ৮,৪০০ এমএএইচ ব্যাটারিও যথেষ্ট বড়, যদিও ক্ষমতার নিরিখে OnePlus 16 এগিয়ে।
দুই ফোনের প্রাথমিক দাম সমান হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি এবং সফটওয়্যারের পার্থক্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে ভারতে আনুষ্ঠানিক লঞ্চ, প্রকৃত দাম এবং স্বাধীন পারফরম্যান্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।
Get your daily dose of tech news and insight. Follow us on X, Facebook, WhatsApp and Google News for instant updates. Catch all the action on our YouTube channel.