বুট স্পেসে সেরা ৪ CNG SUV, তালিকায় Mahindra XUV 3XO থেকে Victoris - 24 Ghanta Bangla News
Home

বুট স্পেসে সেরা ৪ CNG SUV, তালিকায় Mahindra XUV 3XO থেকে Victoris

Spread the love

নয়াদিল্লি: পেট্রলের তুলনায় কম খরচে গাড়ি চালানোর সুবিধা থাকায় CNG গাড়ির জনপ্রিয়তা বাড়ছে। কিন্তু CNG গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে অনেক ক্রেতার বড় চিন্তা হল বুট স্পেস। গাড়ির পিছনে বড় সিলিন্ডার থাকলে স্যুটকেস বা পরিবারের অন্যান্য জিনিসপত্র রাখার জায়গা কমে যায়। তবে এখন একাধিক গাড়ি নির্মাতা সংস্থা বিকল্প ট্যাঙ্ক বিন্যাস ও টুইন-সিলিন্ডার প্রযুক্তির সাহায্যে এই সমস্যা কমানোর চেষ্টা করছে।

Mahindra XUV 3XO ZNG, Maruti Suzuki Brezza S-CNG, Tata Nexon iCNG এবং Maruti Suzuki Victoris S-CNG, এই চারটি SUV-তে তুলনামূলকভাবে ব্যবহারযোগ্য লাগেজ স্পেস পাওয়া যায়। বুট স্পেস, মাইলেজ, ইঞ্জিন এবং দামের নিরিখে কোন গাড়ি কতটা সুবিধা দিতে পারে, দেখে নেওয়া যাক।

১. Mahindra XUV 3XO ZNG

<text></text>

Mahindra-র XUV 3XO ZNG এই তালিকার অন্যতম নতুন সংযোজন। গাড়িটিতে রয়েছে ২৭০ লিটারের বুট স্পেস। সংস্থার টুইন-সিলিন্ডার CNG ব্যবস্থার ফলে সিলিন্ডারগুলির উপরে লাগেজ রাখার জন্য কিছু ব্যবহারযোগ্য জায়গা পাওয়া যায়। তুলনায় সাধারণ পেট্রল XUV 3XO-র দাবি করা বুট স্পেস ৩৬৪ লিটার।

এই মডেলে রয়েছে ১.২ লিটারের তিন সিলিন্ডার টার্বো-পেট্রল ইঞ্জিন। CNG মোডে ইঞ্জিনটি সর্বোচ্চ ১১১ hp শক্তি এবং ২০০ Nm টর্ক উৎপন্ন করে বলে দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। সংস্থার দাবি করা মাইলেজ ২৪.৭ কিমি প্রতি কেজি CNG।

দামের ক্ষেত্রে XUV 3XO ZNG-এর এক্স-শোরুম মূল্য ৯.৯৯ লক্ষ টাকা থেকে শুরু হয়ে ১২.২৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

২. Maruti Suzuki Brezza S-CNG

এই তালিকায় বুট স্পেসের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে Maruti Suzuki Brezza S-CNG। গাড়িটিতে ৩২৮ লিটারের ব্যবহারযোগ্য লাগেজ স্পেস পাওয়া যায়। এর CNG ট্যাঙ্ক গাড়ির নীচে বসানো হওয়ায় বুটের মূল অংশে সিলিন্ডারের জন্য জায়গা নষ্ট হয় না।

Brezza S-CNG-তে রয়েছে ১.৫ লিটারের ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রল ইঞ্জিন। CNG মোডে এটি সর্বোচ্চ ৮৮ hp শক্তি এবং ১২১.৫ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। XUV 3XO ZNG ও Nexon iCNG-র সঙ্গে তুলনায় এই মডেলের দাবি করা মাইলেজও বেশি, প্রতি কেজিতে ২৬.৯ কিলোমিটার।

যাঁরা নিয়মিত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমণ করেন এবং লাগেজ রাখার জন্য বেশি জায়গা চান, তাঁদের কাছে Brezza S-CNG একটি ব্যবহারিক বিকল্প হতে পারে। তবে কেনার আগে নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্টের দাম ও বুট স্পেসের তথ্য যাচাই করা জরুরি।

৩. Tata Nexon iCNG

Tata Nexon iCNG-তেও বুট স্পেসের সমস্যা কমাতে টুইন-সিলিন্ডার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই SUV-তে রয়েছে ৩২১ লিটারের বুট স্পেস। অর্থাৎ, দাবি করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী XUV 3XO ZNG-র তুলনায় Nexon iCNG-তে অতিরিক্ত ৫১ লিটার লাগেজ রাখার জায়গা পাওয়া যায়।

গাড়িটিতে রয়েছে ১.২ লিটারের টার্বো-পেট্রল ইঞ্জিন। CNG মোডে ইঞ্জিনটির শক্তি ১০০ hp এবং টর্ক ১৭০ Nm। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। সংস্থার দাবি করা মাইলেজ প্রতি কেজি CNG-তে ২৪ কিলোমিটার।

Nexon iCNG-র এক্স-শোরুম দাম প্রায় ৮.৩৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু হয়ে ১৩.৪২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভ্যারিয়েন্ট ও সময় অনুযায়ী দাম পরিবর্তিত হতে পারে।

৪. Maruti Suzuki Victoris S-CNG

Maruti Suzuki Victoris S-CNG-তে CNG ট্যাঙ্ক বসানোর জন্য বিকল্প বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। গাড়ির নীচে ট্যাঙ্ক রাখার ফলে লাগেজ রাখার মূল জায়গা তুলনামূলকভাবে ফাঁকা থাকে। এই মডেলে বুট স্পেস ৩২০ লিটার। তুলনায় পেট্রল সংস্করণে দাবি করা বুট স্পেস ৪৩৯ লিটার।

Victoris S-CNG-তে রয়েছে ১.৫ লিটারের ইঞ্জিন, যা CNG মোডে সর্বোচ্চ ৮৭ hp শক্তি এবং ১২১.৫ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। এর সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। সংস্থার দাবি করা মাইলেজ প্রতি কেজি CNG-তে ২৭.০২ কিলোমিটার।

দামের দিক থেকে Victoris S-CNG-র এক্স-শোরুম মূল্য ১১.৫৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু হয়ে ১৪.৮২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তুলনামূলক বেশি মাইলেজ এবং ট্যাঙ্কের বিকল্প বিন্যাস এই গাড়ির উল্লেখযোগ্য দিক।

কোন CNG SUV আপনার জন্য উপযুক্ত?

চারটি গাড়ির মধ্যে পছন্দ নির্ভর করবে আপনার অগ্রাধিকারের উপর।

  • বুট স্পেস: Brezza S-CNG-তে ৩২৮ লিটার, Victoris S-CNG-তে ৩২০ লিটার এবং Nexon iCNG-তে ৩২১ লিটারের দাবি করা বুট স্পেস রয়েছে। XUV 3XO ZNG-তে এই পরিমাণ ২৭০ লিটার।
  • দাবি করা মাইলেজ: Victoris S-CNG এগিয়ে, প্রতি কেজিতে ২৭.০২ কিলোমিটার। এরপর Brezza S-CNG-র ২৬.৯ কিমি/কেজি।
  • টার্বো ইঞ্জিন: Mahindra XUV 3XO ZNG ও Tata Nexon iCNG-তে টার্বো-পেট্রল ইঞ্জিন রয়েছে।
  • দাম: তালিকায় Nexon iCNG-র প্রারম্ভিক দাম তুলনামূলক কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্টের দাম মিলিয়ে দেখা উচিত।

CNG গাড়ি কেনার আগে শুধু সংস্থার দাবি করা মাইলেজ বা বুট স্পেস দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। নিজের স্যুটকেস বা নিয়মিত ব্যবহারের লাগেজ নিয়ে শোরুমে গিয়ে জায়গা পরীক্ষা করুন। পাশাপাশি শহরের যানজটে বাস্তব মাইলেজ, সার্ভিসিং খরচ, নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং নিকটবর্তী CNG পাম্পের সুবিধাও বিবেচনা করুন।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *