আশুতোষ-সৌরভের মামলা ক্রাইম ব্রাঞ্চে, আরও দু’দিন হেফাজতে
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের মামলার তদন্তভার দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার স্টেট সেলের হাতে তুলে…
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের মামলার তদন্তভার দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার স্টেট সেলের হাতে তুলে দেওয়া হল। সোমবার এক স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত সপ্তাহে আশুতোষ ও সৌরভকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, প্রতিবাদ কর্মসূচির স্থান হিসেবে যন্তর মন্তরের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করার পরের দিন তাঁরা একটি ব্যক্তিগত জায়গার মধ্য দিয়ে যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশ করেছিলেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তাঁদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশের অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন প্রতিবাদকারীরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা দেন। তবে এই অভিযোগগুলি পুলিশের বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হচ্ছে। মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।
অজিঙ্ক্য শিন্ডের জামিন, ছ’মাস শান্তি বজায় রাখার নির্দেশ
এই মামলায় অভিযুক্ত আশুতোষ ও সৌরভের সহযোগী অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে ব্যক্তিগত বন্ড এবং ৫,০০০ টাকার জামিনদারের শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আগামী ছ’মাস শান্তি বজায় রাখা এবং সদাচরণ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
অন্যদিকে, আশুতোষ ও সৌরভের হেফাজত অব্যাহত থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁদের আটক রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি এলাহাবাদ হাই কোর্টের একটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
ALSO READ | ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে ২ নম্বরে ভারত
অন্য মামলার রায়ের সঙ্গে তুলনা সিজেপি প্রতিষ্ঠাতার
অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশের ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক এক খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সাজা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে এলাহাবাদ হাই কোর্ট। সেই ঘটনার সঙ্গে আশুতোষ ও সৌরভের হেফাজতের বিষয়টি তুলনা করে তিনি তাঁদের আটক রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে দুটি মামলার অভিযোগ, আইনি পর্যায় এবং আদালতের বিবেচ্য বিষয় এক কি না, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশ ও মামলার নথি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই তুলনা সিজেপি প্রতিষ্ঠাতার বক্তব্য হিসেবেই বিবেচ্য।
আপাতত আশুতোষ ও সৌরভের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার স্টেট সেল চালাবে। তাঁদের হেফাজতের মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।
ALSO READ | জিএসটি কমিটিতে স্থায়ী সদস্যপদ পেল পাঁচ রাজ্য! বদলাচ্ছে কর ব্যবস্থার কাঠামো