২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে ২ নম্বরে ভারত - 24 Ghanta Bangla News
Home

২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে ২ নম্বরে ভারত

Spread the love

নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সর্বশেষ তথ্য বিশ্ব অর্থনীতির (GDP Growth)ক্ষমতার ভারসাম্যে এক নতুন ছবি তুলে ধরেছে। ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতের অবদান দাঁড়াবে ১৭…

নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সর্বশেষ তথ্য বিশ্ব অর্থনীতির (GDP Growth)ক্ষমতার ভারসাম্যে এক নতুন ছবি তুলে ধরেছে। ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতের অবদান দাঁড়াবে ১৭ শতাংশ, যা আমেরিকার ৯.৯ শতাংশের চেয়ে অনেক এগিয়ে। চিন অবশ্য শীর্ষে রয়েছে ২৬.৬ শতাংশ অবদান নিয়ে। দুই এশিয়ান অর্থনীতি মিলে বিশ্বের মোট প্রবৃদ্ধির ৪৩.৬ শতাংশ একাই জোগান দেবে। এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কাঠামোর গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের তথ্য অনুসারে চিন সবচেয়ে বড় অবদানকারী হিসেবে রয়ে গেছে। তার বিশাল অর্থনীতির আকার এবং স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি তাকে এই অবস্থানে রেখেছে। ভারত দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে দ্রুততম প্রবৃদ্ধির হারের জোরে।

আরও দেখুনঃ

আমেরিকা তৃতীয় হলেও তার অবদান দুই এশিয়ান দেশের সম্মিলিত অবদানের তুলনায় অনেক কম। ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, ভিয়েতনাম, নাইজেরিয়া, ব্রাজিল ও জার্মানির মতো দেশগুলোও তালিকায় রয়েছে, কিন্তু তাদের অবদান একক অঙ্কেই সীমাবদ্ধ।

এই তথ্য প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। (GDP Growth)অনেকে বলছেন, অর্থনৈতিক শক্তির কেন্দ্র ধীরে ধীরে এশিয়ার দিকে সরে যাচ্ছে। ভারতের ক্ষেত্রে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, পরিকাঠামো বিনিয়োগ এবং উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণই মূল চালিকাশক্তি।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে ভোক্তা ব্যয় স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরকারি নীতিমালাও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছে। আইএমএফ ইতিমধ্যেই ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কয়েক দফায় বাড়িয়েছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারত ও চিনের এই যৌথ অবদান শুধু সংখ্যার খেলা নয়। এটি বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল, বাণিজ্য প্রবাহ এবং বিনিয়োগের ধরনকেও প্রভাবিত করছে। উন্নত অর্থনীতিগুলোর প্রবৃদ্ধি ধীরগতির হওয়ায় উদীয়মান বাজারগুলোই এখন বিশ্ব অর্থনীতির মূল ইঞ্জিন হয়ে উঠেছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রায় অর্ধেক প্রবৃদ্ধি জোগান দিচ্ছে, যা কয়েক দশক আগের চিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত।

ভারতের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। (GDP Growth)দ্রুততম প্রবৃদ্ধির হার বজায় রেখে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাওয়া অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতকে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, জ্বালানি মূল্যের ওঠানামা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রবৃদ্ধির গতিকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে আইএমএফের তথ্য বলছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও কাঠামোগত সংস্কার এই ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *