Apple Vs Samsung | আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স বনাম গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা: ১০টি বড় পার্থক্য - 24 Ghanta Bangla News
Home

Apple Vs Samsung | আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স বনাম গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা: ১০টি বড় পার্থক্য

Spread the love

নয়াদিল্লি: প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজারে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের (Apple Vs Samsung) লড়াই বরাবরই আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে। একদিকে অ্যাপলের আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স, যেখানে উন্নত ক্যামেরা, ভিডিও রেকর্ডিং এবং অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, ১০০ গুণ এআই-চালিত স্পেস জুম এবং বিল্ট-ইন প্রাইভেসি ডিসপ্লে। ক্যামেরা, প্রসেসর, ব্যাটারি, ডিসপ্লে, স্টোরেজ এবং এআই ফিচারের নিরিখে দুই ফোনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

কোন ফোনটি আপনার জন্য বেশি উপযুক্ত, তা বুঝতে দেখে নেওয়া যাক এই দুই ফ্ল্যাগশিপের ১০টি বড় পার্থক্য।

১. ডিজাইন ও ওজন

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম ইউনিবডি ডিজাইন। সামনে সিরামিক শিল্ড ২ এবং পিছনে সিরামিক শিল্ডের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফোনটির ওজন ২৪৯ গ্রাম। কালো, সিলভার, গ্লেসিয়ার এবং বারগান্ডি রঙে পাওয়া যায় এই মডেল।

অন্যদিকে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় রয়েছে আর্মর অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম, কর্নিং গরিলা গ্লাস এবং জল প্রতিরোধের সুবিধা। এর ওজন ২১৪ গ্রাম। অর্থাৎ আইফোনের তুলনায় স্যামসাংয়ের ফোনটি ৩৫ গ্রাম হালকা। দীর্ঘক্ষণ ফোন হাতে নিয়ে ব্যবহার করলে এই পার্থক্য কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।

২. ডিসপ্লে: উজ্জ্বলতা বনাম প্রাইভেসি প্রযুক্তি

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে ৬.৯ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর ওএলইডি ডিসপ্লে। এর রেজোলিউশন ২,৮৬৮ × ১,৩২০ পিক্সেল এবং পিক্সেল ঘনত্ব ৪৬০ পিপিআই। প্রোমোশন প্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট, অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে এবং ডায়নামিক আইল্যান্ডের সুবিধা পাওয়া যায়। বাইরে সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা ৩,০০০ নিট পর্যন্ত হতে পারে বলে দেওয়া স্পেসিফিকেশনে উল্লেখ রয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় রয়েছে ১৭.৪৯ সেন্টিমিটার ডিসপ্লে। এই ফোনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য বিল্ট-ইন প্রাইভেসি ডিসপ্লে প্রযুক্তি। এর সাহায্যে পুরো স্ক্রিনের দৃশ্যমানতা সীমিত করা যায়। আবার নির্দিষ্ট অ্যাপ, নোটিফিকেশন এবং পাসওয়ার্ড লেখার স্ক্রিন অন্যের চোখ থেকে আড়াল রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে।

অর্থাৎ, আইফোনের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ডিসপ্লে ও পরিচিত ওএলইডি অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ, আর স্যামসাংয়ের বিশেষ আকর্ষণ ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা।

৩. প্রসেসর ও পারফরম্যান্স

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে অ্যাপলের এ২০ প্রো চিপ। এতে ছয়-কোর সিপিইউ, নিউরাল অ্যাক্সিলারেটর-সহ সাত-কোর জিপিইউ এবং দুটি ১৬-কোর নিউরাল ইঞ্জিনের উল্লেখ রয়েছে। হার্ডওয়্যার-অ্যাক্সিলারেটেড রে ট্রেসিংয়ের সুবিধাও রয়েছে, যা সমর্থিত গেম ও গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত আলো এবং প্রতিফলন তৈরিতে সাহায্য করতে পারে।

অন্যদিকে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫ ফর গ্যালাক্সি প্রসেসর। স্যামসাংয়ের দাবি, আগের গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রার তুলনায় এতে এআই পারফরম্যান্স ৩৯ শতাংশ, গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স ২৪ শতাংশ এবং সিপিইউ প্রসেসিংয়ের গতি ১৯ শতাংশ উন্নত হয়েছে। নতুন কুলিং সিস্টেমের মাধ্যমে তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাও ২১ শতাংশ বাড়ানোর দাবি করেছে সংস্থাটি।

তবে এই সংখ্যাগুলি স্যামসাংয়ের নিজস্ব তুলনামূলক দাবি। বাস্তবে দুই ফোনের গতি ও পারফরম্যান্স নির্ভর করবে নির্দিষ্ট অ্যাপ, গেম, সফটওয়্যার এবং ব্যবহারের ধরনের উপর।

৪. রিয়ার ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল বনাম ২০০ মেগাপিক্সেল

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রো ফিউশন ক্যামেরা সিস্টেম। এতে ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, ৪৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং ৪৮ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা রয়েছে। প্রধান ক্যামেরায় ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচারের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৮ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি, প্রোর‌অ এবং উন্নত পোর্ট্রেট নিয়ন্ত্রণের সুবিধাও রয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা। প্রধান ক্যামেরায় এফ/১.৪ অ্যাপারচার এবং টেলিফটো ক্যামেরায় এফ/২.৯ অ্যাপারচার রয়েছে।

মেগাপিক্সেলের হিসাবে স্যামসাং এগিয়ে থাকলেও শুধু মেগাপিক্সেল দেখে ক্যামেরার গুণমান বিচার করা ঠিক নয়। সেন্সরের আকার, লেন্স, ইমেজ প্রসেসিং, আলো এবং সফটওয়্যারও ছবির মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

৫. জুম ও কম আলোয় ছবি

জুমের ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ২ গুণ ও ৪ গুণ টেলিফটো বিকল্পের পাশাপাশি ৮ গুণ অপটিক্যাল-কোয়ালিটি জুমের সুবিধা রয়েছে। অ্যাপলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অপটিক্যাল-কোয়ালিটি জুমের পরিসর সর্বোচ্চ ১৬ গুণ এবং ডিজিটাল জুম সর্বোচ্চ ৪০ গুণ পর্যন্ত।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রার অন্যতম আকর্ষণ ১০০ গুণ এআই-চালিত স্পেস জুম। দূরের বিষয়বস্তুকে কাছে এনে দেখার ক্ষেত্রে এই ফিচার কাজে আসতে পারে। পাশাপাশি নাইটোগ্রাফি প্রযুক্তিতে উন্নতির কথা জানিয়েছে স্যামসাং। উন্নত অ্যাপারচার এবং সেন্সরভিত্তিক নয়েজ রিডাকশনের সাহায্যে কম আলোয় ছবি ও ভিডিওতে আরও বেশি ডিটেল ধরে রাখার লক্ষ্য রয়েছে।

দূরের বিষয়ের ছবি তোলার ক্ষেত্রে স্যামসাংয়ের জুম সুবিধা আকর্ষণীয়। অন্যদিকে, অ্যাপলের ক্যামেরা সিস্টেমে উন্নত ভিডিও রেকর্ডিং এবং প্রো-লেভেল ফটোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

৬. ভিডিও রেকর্ডিং

ভিডিও নির্মাতাদের জন্য আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে একাধিক উন্নত ফিচার। প্রধান ক্যামেরায় প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ১২০ ফ্রেমে ৪কে ডলবি ভিশন ভিডিও রেকর্ড করা যায়। এ ছাড়া প্রোর‌র, প্রোর‌র র, অ্যাপল লগ ২, জেনলক সাপোর্ট, স্পেশিয়াল ভিডিও, ম্যাক্রো ভিডিও এবং উন্নত অডিও নিয়ন্ত্রণের সুবিধা রয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় রয়েছে সুপার স্টেডি উইথ হরাইজন্টাল লক ফিচার। ফোন ঘুরলেও মোশন সেন্সরের সাহায্যে ভিডিওর দিগন্তরেখা সোজা রাখার চেষ্টা করে এই প্রযুক্তি। কম আলোয় ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিটেল ধরে রাখা এবং নয়েজ কমানোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পেশাদার ধরনের ভিডিও রেকর্ডিংয়ের নিয়ন্ত্রণ ও ফরম্যাটের বৈচিত্র্য যাঁদের দরকার, তাঁদের কাছে আইফোনের ফিচারগুলি আকর্ষণীয় হতে পারে। অন্যদিকে, চলাফেরার সময় স্থিতিশীল ভিডিও ধারণে স্যামসাংয়ের ফিচার কাজে আসতে পারে।

৭. ব্যাটারি ও চার্জিং

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে সর্বোচ্চ ৪৩ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাক, ৩৮ ঘণ্টা স্ট্রিমিং ভিডিও প্লেব্যাক এবং সাধারণ ব্যবহারে ২৯ ঘণ্টার ব্যাটারি পারফরম্যান্সের উল্লেখ রয়েছে। ৬০ ওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার উপযুক্ত অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করলে প্রায় ১৫ মিনিটে ব্যাটারি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা যায় বলে দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় রয়েছে ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। সংস্থার দাবি, এতে সর্বোচ্চ ৩১ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাক পাওয়া যেতে পারে। প্রায় ৩০ মিনিটে ব্যাটারি ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করার সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে।

এখানে আইফোনের ঘোষিত ভিডিও প্লেব্যাকের সময় বেশি। অন্যদিকে, স্যামসাং ব্যাটারির নির্দিষ্ট ক্ষমতা এবং ৩০ মিনিটে চার্জের পরিমাণ উল্লেখ করেছে। তবে এই সংখ্যাগুলি ভিন্ন পরীক্ষার পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে হতে পারে। তাই শুধু এই তথ্য দেখে সরাসরি ব্যাটারি ব্যাকআপের তুলনা করা ঠিক হবে না। বাস্তবে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা, নেটওয়ার্ক, গেমিং এবং অন্যান্য ব্যবহারের কারণে ফলাফল বদলাতে পারে।

৮. স্টোরেজ ও মেমরি

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টিবি এবং ২ টিবি স্টোরেজের বিকল্প রয়েছে। অর্থাৎ বেশি রেজোলিউশনের ছবি, দীর্ঘ ভিডিও এবং বড় মিডিয়া লাইব্রেরি সংরক্ষণ করতে চাইলে ২ টিবি সংস্করণটি বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা পাওয়া যায় ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি এবং ১ টিবি স্টোরেজে। ২৫৬ জিবি ও ৫১২ জিবি সংস্করণে ১২ জিবি মেমরি রয়েছে, আর ১ টিবি সংস্করণে রয়েছে ১৬ জিবি মেমরি।

সর্বোচ্চ স্টোরেজের ক্ষেত্রে আইফোন এগিয়ে। তবে স্যামসাংয়ের ১ টিবি সংস্করণে বেশি মেমরি পাওয়া যায়, যা একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ চালানো এবং কিছু ভারী কাজের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।

৯. এআই ফিচার ও অপারেটিং সিস্টেম

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে আইওএস ২৭ এবং অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স। সিরির সঙ্গে এর সংযোগের মাধ্যমে ভয়েস কমান্ড, টাইপ টু সিরি এবং দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে সহায়তার মতো ফিচার পাওয়া যায়।

অন্যদিকে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা চলে ওয়ান ইউআই ৮.৫-এ। এতে রয়েছে গ্যালাক্সি এআইয়ের নাও নাজ, নাও ব্রিফ, ক্রিয়েটিভ স্টুডিও, এআই-সহায়তায় ছবি সম্পাদনা এবং সার্কল টু সার্চের মতো সুবিধা। বিক্সবির সাহায্যে ফোনের বিভিন্ন সেটিংস নিয়ন্ত্রণ এবং কথোপকথনের মাধ্যমে প্রশ্ন করার সুযোগও রয়েছে।

স্যামসাংয়ের আরও একটি সুবিধা হল, সমর্থিত গ্যালাক্সি এআই ফিচারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী অন-ডিভাইস প্রসেসিং অথবা ক্লাউড প্রসেসিংয়ের বিকল্প বেছে নিতে পারেন। ফলে এআই ফিচারের ব্যবহার ও ডেটা প্রসেসিংয়ের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণে কিছুটা বেশি স্বাধীনতা পাওয়া যায়।

১০. প্রাইভেসি, নিরাপত্তা ও কানেক্টিভিটি

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে ফেস আইডি, ওয়াই-ফাই ৭, ব্লুটুথ ৬, ৫জি, থ্রেড নেটওয়ার্কিং এবং সর্বোচ্চ ১০ জিবিপিএস গতির ইউএসবি ৩ ডেটা ট্রান্সফার। সিম ব্যবস্থায় ন্যানো-সিম ও ই-সিমের মাধ্যমে ডুয়াল সিম এবং ডুয়াল ই-সিমের সুবিধাও রয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রায় প্রাইভেসি ডিসপ্লের পাশাপাশি রয়েছে স্যামসাং নক্স ভল্ট, কিপ এবং নক্স ম্যাট্রিক্সের মতো নিরাপত্তা প্রযুক্তি। এ ছাড়া কুইক শেয়ারের মাধ্যমে সমর্থিত অ্যাপল ডিভাইসের সঙ্গে এয়ারড্রপ সামঞ্জস্য ব্যবহার করে ফাইল আদান-প্রদানের সুবিধার কথাও দেওয়া স্পেসিফিকেশনে উল্লেখ রয়েছে।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দুই সংস্থাই নিজস্ব প্রযুক্তির উপর গুরুত্ব দিয়েছে। তবে আপনার কোন ফিচারটি বেশি কাজে লাগবে, তা নির্ভর করবে আপনি কোন ডিভাইস ও পরিষেবা ব্যবহার করেন তার উপর।

কোন ফোনটি কেনা বেশি যুক্তিযুক্ত?

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স এবং স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা, দুটিই প্রিমিয়াম স্মার্টফোন হিসেবে আলাদা ধরনের ব্যবহারকারীর চাহিদা পূরণ করতে পারে। আইফোনের বড় শক্তি উন্নত ভিডিও রেকর্ডিং, প্রো-লেভেল ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ, সর্বোচ্চ ২ টিবি স্টোরেজ এবং অ্যাপল ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সংযোগ। অন্যদিকে, স্যামসাংয়ের আকর্ষণ ২০০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, ১০০ গুণ স্পেস জুম, প্রাইভেসি ডিসপ্লে এবং গ্যালাক্সি এআইয়ের বিভিন্ন সুবিধা।

তবে কোন ফোনটি সব দিক থেকে সেরা, তার একক উত্তর নেই। ভিডিও নির্মাতা ও অ্যাপল ডিভাইস ব্যবহারকারীদের কাছে আইফোন বেশি উপযুক্ত হতে পারে। আবার দূরের ছবি তোলা, স্ক্রিনের গোপনীয়তা এবং বিভিন্ন এআই ফিচারকে অগ্রাধিকার দিলে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা বিবেচনা করা যেতে পারে।

কেনার আগে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: উপরের তুলনাটি সরবরাহ করা স্পেসিফিকেশনের ভিত্তিতে তৈরি। ফোন দুটির বাজারে উপলভ্য সংস্করণ, চূড়ান্ত হার্ডওয়্যার, ব্যাটারি পরীক্ষার পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার ফিচারের প্রাপ্যতা আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে দাম ও ভারতে উপলভ্য ভ্যারিয়েন্ট নিশ্চিত না করে শুধু এই তুলনার ভিত্তিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

Get your daily dose of tech news and insight.  Follow us on X, Facebook, WhatsApp and Google News for instant updates. Catch all the action on our YouTube channel.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *