Saurav Das-Ashutosh Ranka: তিহাড়ে উমর খালিদের ব্লকেই বন্দী সিজেপির সৌরভ! ‘হাই সিকিউরিটি’ সেলে আশুতোষ, চলছে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি | CJP Leaders Arrested: Saurav Das Lodged in Same Tihar Jail as Umar Khalid, Ashutosh Ranka Shifted to Jail No. 4
নয়া দিল্লি: যন্তর-মন্তরে বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির তিহাড় জেলের পৃথক হাই-সিকিউরিটি ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। উমর খলিদের ব্লকেই রাখা হয়েছে সৌরভ দাসকে। অন্যদিকে, সম্পূর্ণ আলাদা ব্লকে রাখা হয়েছে আশুতোষ রাঙ্কাকে। জেল সূত্রে খবর, তাঁদের সেলের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষীকে। এমনকী,দিনের বেলায় অন্য বন্দিদের সঙ্গে তাঁদের সেল থেকে বের হওয়ার অনুমতিও দেওয়া হচ্ছে না বলে সূত্রের খবর।
কেন গ্রেফতার দুই সিজেপি নেতা?
গত ১৪ অক্টোবর আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে বাতিল করার পরেও অনুমতি ছাড়াই সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। বারবার আইন লঙ্ঘন এবং শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি, জামিনে মুক্তি পেলে ফের আইন ভাঙতে পারেন দুই নেতা। অন্যদেরও আইন লঙ্ঘনে প্ররোচিত করার আশঙ্কা রয়েছে। সেই যুক্তিতেই তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তিহাড়ের কোন সেলে রয়েছেন দুই নেতা?
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, আশুতোষ রাঙ্কার বন্দি নম্বর ১৭৮৪ এবং সৌরভ দাসের বন্দি নম্বর ৩৭৫২। প্রথমে দু’জনকেই তিহাড়ের ২ নম্বর ব্লকে রাখা হয়েছিল। পরে রাঙ্কাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ৪ নম্বর জেলে। বর্তমানে সৌরভ দাস রয়েছেন ২ নম্বর জেলের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অন্যদিকে,আশুতোষ রাঙ্কাকে রাখা হয়েছে ৪ নম্বর ব্লকের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। এই দুই ওয়ার্ডে অন্য ওয়ার্ডগুলির তুলনায় বন্দির সংখ্যা কম।
জেল সূত্রের দাবি, দুই নেতাকে সম্পূর্ণ পৃথক ব্লকে রাখা হয়েছে। অন্য ওয়ার্ডের কোনও বন্দিকে সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের সেলে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, তিহাড়ের যে ২ নম্বর ব্লকে সৌরভ দাসকে রাখা হয়েছে,সেখানেই আগে ছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। বর্তমানে ওই একই দুই নম্বর জেলে রয়েছেন সমাজকর্মী তথা জেএনইউয়ের প্রাক্তন ছাত্র উমর খালিদ। যদিও তাঁকে পৃথক হাই-রিস্ক সেলে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, আশুতোষ রাঙ্কা রয়েছেন ৪ নম্বর জেলে। জেল সূত্রের খবর, একসময় এই জেলে বিপাসনা ধ্যানের আয়োজন করত কারা কর্তৃপক্ষ। অস্ত্র ব্যবসায়ী অভিষেক বর্মাকেও আগে সেখানে রাখা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার তিহাড় জেলে গিয়ে দুই নেতার সঙ্গে দেখা করেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং। জেল সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত দুই নেতা কোনও বিশেষ সুবিধার আবেদন জানাননি। তবে তাঁদের একজন মৌখিকভাবে জেলের অন্য এক বন্দির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চেয়েছিলেন। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে অভিজিৎ দীপকেকে।