৪.৫ সেকেন্ডেই ১০০ কিমি গতি! Tesla মডেল ওয়াই এল-এ বড় আপগ্রেড
নয়াদিল্লি: মাত্র ৪.৫ সেকেন্ডে ঘণ্টায় শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার গতি তুলতে পারবে টেসলার মডেল ওয়াই এল। বৈদ্যুতিক গাড়িটির পাওয়ারট্রেনে উন্নতি এনেছে সংস্থা, যার ফলে আগের…
নয়াদিল্লি: মাত্র ৪.৫ সেকেন্ডে ঘণ্টায় শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার গতি তুলতে পারবে টেসলার মডেল ওয়াই এল। বৈদ্যুতিক গাড়িটির পাওয়ারট্রেনে উন্নতি এনেছে সংস্থা, যার ফলে আগের তুলনায় দ্রুত গতি তুলতে পারবে এই প্রিমিয়াম ইলেকট্রিক এসইউভি। আগে একই গতিতে পৌঁছতে সময় লাগত ৫ সেকেন্ড। অর্থাৎ, ত্বরণের সময় কমেছে ০.৫ সেকেন্ড। তবে এই আপগ্রেড ভারতের ক্ষেত্রে ১ অক্টোবর ২০২৬ বা তার পরে কেনা মডেল ওয়াই এল গাড়িগুলির জন্য প্রযোজ্য। গাড়িটির বাইরের নকশা ও কেবিনের ফিচারে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। ভারতে এর এক্স-শোরুম দাম ৬১.৯৯ লক্ষ টাকা।
ব্যাটারি ও ডুয়াল-মোটর ব্যবস্থায় কত শক্তি?
টেসলা মডেল ওয়াই এল-এ আনুমানিক ৮৮ কিলোওয়াট-ঘণ্টার এনএমসি ব্যাটারি প্যাক রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত ডুয়াল-মোটর অল-হুইল ড্রাইভ ব্যবস্থা। সংস্থা পাওয়ারট্রেনের সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে অনুমান অনুযায়ী, দুই মোটর মিলিয়ে গাড়িটি প্রায় ৫১৪ হর্সপাওয়ার শক্তি এবং ৫৯০ নিউটন-মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২০১ কিলোমিটার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ত্বরণ বাড়লেও গাড়িটির দাবি করা একবার চার্জে চলার দূরত্বে কোনও পরিবর্তন আসেনি। মডেল ওয়াই এল-এর ডব্লিউএলটিপি পরীক্ষাপদ্ধতি অনুযায়ী রেঞ্জ ৬৮১ কিলোমিটার। তবে বাস্তবে একবার চার্জে কত দূর যাওয়া যাবে, তা নির্ভর করবে গাড়ি চালানোর ধরন, গতি, আবহাওয়া এবং অন্যান্য পরিস্থিতির উপর। তাই পরীক্ষাগারে নির্ধারিত রেঞ্জের সঙ্গে বাস্তব ব্যবহারের দূরত্বের পার্থক্য থাকতে পারে।
১৫ মিনিটে ২৮৮ কিলোমিটার চলার মতো চার্জ?
টেসলার দাবি, সংস্থার সুপারচার্জার ব্যবহার করলে মডেল ওয়াই এল-এ মাত্র ১৫ মিনিটে সর্বোচ্চ ২৮৮ কিলোমিটার চলার উপযোগী চার্জ যোগ করা সম্ভব। গাড়িটি সর্বোচ্চ ২৫০ কিলোওয়াট ক্ষমতার ডিসি ফাস্ট চার্জিং এবং ১১ কিলোওয়াট ক্ষমতার এসি চার্জিং সমর্থন করে। তবে চার্জের গতি ব্যাটারির চার্জের বর্তমান মাত্রা, তাপমাত্রা এবং চার্জিং পরিকাঠামোর উপর নির্ভর করতে পারে।
ভারতে চার্জিং পরিকাঠামো বাড়ানোর কাজও চালাচ্ছে টেসলা। সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২০টি সুপারচার্জার এবং ২৮টি ডেস্টিনেশন চার্জার রয়েছে। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ আরও তিনটি চার্জিং কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে চার্জিং কেন্দ্রের সংখ্যা ও অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই সম্প্রসারণ মডেল ওয়াই এল-এর সম্ভাব্য ক্রেতাদের জন্য প্রাসঙ্গিক।
বিএমডব্লিউ ও বিওয়াইডির সঙ্গে প্রতিযোগিতা
ভারতের প্রিমিয়াম বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে টেসলা মডেল ওয়াই এল-এর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছে বিএমডব্লিউ আইএক্স১ এলডব্লিউবি এবং বিওয়াইডি সিলায়ন ৭। দ্রুত ত্বরণ, দীর্ঘ দাবি করা রেঞ্জ এবং দ্রুত চার্জিংয়ের সুবিধা নিয়ে এই বিভাগে প্রতিযোগিতা করছে টেসলা।
পাওয়ারট্রেনের আপগ্রেডে মডেল ওয়াই এল-এর ত্বরণ আরও উন্নত হয়েছে। তবে গাড়িটির দাম, দাবি করা রেঞ্জ এবং চার্জিং সুবিধার পাশাপাশি ক্রেতাদের বাস্তব ব্যবহারের পরিস্থিতি, চার্জিং কেন্দ্রের নাগাল ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বিবেচনা করা উচিত।
Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business