বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় ব্যাপক নিরাপত্তা! সংখ্যালঘুদের শুভেচ্ছা তারেকের - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় ব্যাপক নিরাপত্তা! সংখ্যালঘুদের শুভেচ্ছা তারেকের

Spread the love

ঢাকা: বাংলাদেশে শারদীয়া দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে(Durga Puja)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশ-বিদেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে…

ঢাকা: বাংলাদেশে শারদীয়া দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে(Durga Puja)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশ-বিদেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

দুর্গাপূজার মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে শুক্রবার সকালে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মাধ্যমে। দেশজুড়ে হাজার হাজার মণ্ডপে দেবী দুর্গার আরাধনা চলছে(Durga Puja)। এই বছর মণ্ডপের সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে। পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৩৩ হাজারেরও বেশি মণ্ডপে উৎসব হচ্ছে। এর মধ্যে রাজধানীতেও শতাধিক মণ্ডপ রয়েছে। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হবে।

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশে দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে হিন্দু ভাবাবেগে আঘাতের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মাংস ?

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর বাণীতে বলেছেন, দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়। এটি ন্যায়বিচার ও মানবতার আহ্বান বহন করে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে এই পূজা উদযাপন করে আসছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিচয় বহন করে। পূজা বাংলার সামাজিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে হিন্দু সম্প্রদায়কে নির্ভয়ে, আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে পূজা উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন। (Durga Puja)তিনি বলেছেন, “ধর্ম ব্যক্তির, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেকের নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে সব ধর্মের মৌলিক শিক্ষা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও সহানুভূতির মাধ্যমে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা জরুরি।

সরকার সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কার ও উন্নয়নেও সহায়তা অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ বছর দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে।

পূজা উপলক্ষে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলোতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপদ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের জন্য প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা কেনাকাটা ও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বাজারগুলোতে পূজার সামগ্রী, পোশাক ও অলংকারের চাহিদা বেড়েছে।

বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে দুর্গাপূজার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, সম্প্রীতি ও সহঅস্তিত্বের প্রতীকও। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বাণীতে সেই সম্প্রীতির বার্তাই প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁরা আশা করেছেন, এই উৎসব সব মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পূজার আয়োজন চলছে জাঁকজমকের সঙ্গে।(Durga Puja) মণ্ডপগুলোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রসাদ বিতরণ ও সম্প্রদায়িক মেলবন্ধনের পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সরকারের ইতিবাচক বাণীর কারণে হিন্দু সম্প্রদায় নিরাপদে উৎসব পালন করতে পারছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *