Kajol Durga Puja 2026: বাড়ির দুর্গাপুজোর মণ্ডপ থেকে মা-বোনকে নিয়ে ছবি পোস্ট কাজলের, রানি আসবেন? | Kajol tanuja tanishaa durga puja photos rani mukerji presence - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kajol Durga Puja 2026: বাড়ির দুর্গাপুজোর মণ্ডপ থেকে মা-বোনকে নিয়ে ছবি পোস্ট কাজলের, রানি আসবেন? | Kajol tanuja tanishaa durga puja photos rani mukerji presence

Spread the love

বলিপাড়ার অন্দরে দুর্গাপুজোর কথা উঠলে সবার আগে যার নাম আসে, তা হল মুখোপাধ্য়ায় বাড়ির পুজো। অর্থাৎ রানি-কাজলদের দুর্গাপুজো। যাকে সস্নেহে অনুরাগীরা ‘মুখার্জি বাড়ির পুজো’ বলেই চেনেন। পুজোর সেই বিশেষ ও আবেগঘন মুহূর্তের কিছু মিষ্টি ছবি ইতিমধ্যেই কাজল নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন।

ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলি পোস্ট করে ক্যাপশনে কাজল লিখেছেন, আজকের দিনটা মা দুর্গার সমস্ত রূপের উদ্দেশে—মা হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, রক্ষাকর্ত্রী হিসেবে এবং স্বয়ং দেবী হিসেবে! সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন—‘জয় মা দুর্গা। আর এভাবেই শুরু হয়ে গেল সেই চেনা উন্মাদনা।’

ভাইরাল হওয়া ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে, ট্র্যাডিশনাল লুকে জমিয়ে পুজোর আনন্দ উপভোগ করছেন কাজল। উজ্জ্বল গোলাপি ও প্রবাল-লাল রঙের ঐতিহ্যবাহী শাড়িতে বরাবরের মতো নজর কেড়েছেন তিনি। তাঁর পাশেই হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা গিয়েছে বোন তানিশা মুখোপাধ্যায়কে। নীল ও গোলাপি রঙের ফ্লোরাল প্রিন্টের শাড়িতে বেশ মানিয়েছিল তানিশাকে। এছাড়া পারিবারিক এই উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন কাজলের মা তথা প্রবীণ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী তনুজা। হালকা বেগুনি রঙের ছাপা শাড়ি এবং কাঁধে শাল জড়িয়ে এদিনও তাঁর সেই চিরচেনা দীপ্তিময় উপস্থিতি সকলের নজর কাড়ে।

কাজলের পোস্ট–

ফ্রেমে বন্দি হয়েছেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। পরিচালক তথা কাজলের তুতো ভাই অয়ন মুখোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছে একেবারে সাধারণ সাদা কুর্তায়। অন্যদিকে, উজ্জ্বল গোলাপি রঙের পোশাকে এবং সোনালি কাজের ওড়নায় সেজেছিলেন পরিবারের সদস্য শর্বাণী মুখোপাধ্যায়ও। কাজল ও তাঁর পরিবারের কাছে দুর্গাপুজো মানে কেবল উৎসব নয়, বরং রক্তের সম্পর্ক ও নাড়ির টানে একত্রিত হওয়ার এক পবিত্র উপলক্ষ।

বলিউডের এই ঐতিহ্যবাহী পুজোয় বরাবরই রানি মুখোপাধ্যায়কে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা যায়। কিন্তু চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হন রানির মা কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায়। মুখোপাধ্যায় পরিবারের এই দুর্গাপুজোর অন্যতম প্রাণস্বরূপা ছিলেন তিনি। মা হারানোর সেই গভীর শোক ও পরিবারের অন্দরে নেমে আসা বিষাদের ছায়ার মাঝেই অবশ্য পারিবারিক দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *