Imran Khan: মামা আমির চুপ, এবার ইমরান খানের দেশ ছাড়ার নির্দেশ নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন মামী কিরণ রাও | kiran rao reacts imran khan leave india notice aamir khan family
গত সপ্তাহে মুম্বইয়ের একটি বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জেরে অভিনেতা ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (FRRO)-র এই সিদ্ধান্তের পরেই বলিপাড়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় অবাক ও ক্ষুব্ধ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা তথা আমির খানের প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাও।
নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই সংক্রান্ত একটি খবরের পোস্ট শেয়ার করে কিরণ ব্যঙ্গের সুরে লিখেছেন— “বাঃ, এবার মুম্বই পুলিশ?”
আমির খানের ভাগ্নে তথা অভিনেতা ইমরান খান সম্প্রতি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) নামের একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের আয়োজিত প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। আর তার পরই তাঁর বিরুদ্ধে এই কড়া পদক্ষেপ নেয় প্রশাসন। তবে এই ঘটনায় শুধুমাত্র কিরণ রাও নন, এর আগে অভিনেত্রী সাবা আজাদও এই নোটিসের তীব্র প্রতিবাদ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জানা গিয়েছে, এই আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন অভিনেতা নিজে।
কিরণ রাওয়ের পোস্ট–

প্রসঙ্গত, বিদেশি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এফআরআরও (FRRO)-র দেওয়া দেশ ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার আইনি পথে হাঁটছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে ভারত ছাড়ার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে বম্বে হাই কোর্টে পিটিশন দাখিল করতে চলেছেন আমির খানের ভাগ্নে। পিটিশন দাখিলের পরই জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানানো হবে বলে আইনি সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্য বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী এবং বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আইনি লড়াইয়ে অভিনেতার পক্ষে সওয়াল করছে দেশের অন্যতম শীর্ষ আইন সংস্থাও এমজেডএম লিগাল এলএলপি (MZM Legal LLP)-র আইনজীবী জুলফিকার মেমন, পারভেজ মেমন এবং চিরাগ নায়েক।
গত ১০ অক্টোবর মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক অগাস্ট ক্রান্তি ময়দানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ইমরান খান। আর সেই বিক্ষোভেই যোগ দেওয়ার জেরে পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। ওই প্রতিবাদের পরই বিজেপি নেতা কিরীট সোমৈয়া গাওদেবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিনেতা মার্কিন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও বিদেশি আইন লঙ্ঘন করে একটি রাজনৈতিক মিছিলে সরাসরি অংশ নিয়েছেন।