ষষ্ঠীর প্যান্ডেল হপিংয়ে কি বাধা হয়ে দাঁড়াবে বৃষ্টি? জানুন আবহাওয়ার আপডেট
তিলোত্তমায় এখন আলোর রোশনাই আর ঢাকের বোলের চেনা জোয়ার। পঞ্চমী পেরিয়ে আজ মহাষষ্ঠী, মহাসমারোহে মায়ের বোধন। নতুন পোশাকে সেজে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের পরিকল্পনাও তৈরি।…
তিলোত্তমায় এখন আলোর রোশনাই আর ঢাকের বোলের চেনা জোয়ার। পঞ্চমী পেরিয়ে আজ মহাষষ্ঠী, মহাসমারোহে মায়ের বোধন। নতুন পোশাকে সেজে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের পরিকল্পনাও তৈরি। তবে এই আনন্দের মাঝে বাধ সাধতে পারে কি প্রকৃতি? আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, ষষ্ঠী ও সপ্তমীর আকাশ কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও ভারী দুর্যোগের কোনো কালো মেঘ আপাতত নেই।
আজ সকালে শহরের আকাশ থাকবে আংশিক মেঘের চাদরে ঢাকা। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, দিনের যে কোনো সময়ে মহানগরীর কোথাও কোথাও পশলা বৃষ্টি কিংবা বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে হালকা পসলা ঝরার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার শহর কলকাতার সর্বোচ্চ পারদ ঘোরাফেরা করতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রির কাছাকাছি। তবে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তি থেকে পুরোপুরি নিস্তার মিলবে না।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির বহর কেমন?
কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উপকূলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা বেশি। হাওড়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু অংশে ছিটেফোঁটা বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বর্ষণ হতে পারে।
এছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও বিক্ষিপ্তভাবে জল ঝরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের কোনো জেলাতেই ভারী বা অতিভারী বৃষ্টির কোনো রেড বা ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করা হয়নি।
উত্তরবঙ্গের উৎসবের মেজাজ
উত্তরের পাহাড়ি ও সমতলের জেলাগুলিতে পুজোর ক’টা দিন আবহাওয়া বেশ অনুকূল থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কিছু উঁচু এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। তবে বাকি জেলাগুলিতে আকাশ পুরোপুরি পরিষ্কার থাকবে। এমনকি আগামী কয়েক দিনে উত্তরের আবহাওয়া আরও মনোরম হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
কবে থেকে মিলবে পুরোপুরি স্বস্তি?
ষষ্ঠী পেরিয়ে সপ্তমীতেও বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলা বজায় থাকতে পারে। তবে অষ্টমী পড়তে না পড়তেই আবহাওয়ায় বড় ধরণের ইতিবাচক বদল আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী রবিবার অর্থাৎ দ্বিতীয় সপ্তমী থেকেই দক্ষিণের আকাশ থেকে মেঘ সরতে শুরু করবে। এরপর নবমী ও দশমীতে বৃষ্টির আর কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। উল্টে উৎসবের শেষ ক’টা দিনে ভোরের দিকে হালকা শীতের আমেজ এবং মনোরম ঠান্ডায় পুজো জমজমাট হয়ে উঠবে।
স্টারলিংক বা অন্য যে কোনো প্রতিযোগীকে স্বাগত, তবে মানতে হবে দেশের আইন: রিলায়েন্স
ধর্ম পরিবর্তন করলে সংরক্ষণের সুবিধা নয়, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত খারিজ সুপ্রিম কোর্টে