দিল্লিতে CJP-র ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ যাত্রার আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে! কনট প্লেসে জারি ১৬৩ ধারা - 24 Ghanta Bangla News
Home

দিল্লিতে CJP-র ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ যাত্রার আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে! কনট প্লেসে জারি ১৬৩ ধারা

Spread the love

নয়াদিল্লি: দিল্লির কনট প্লেসে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রস্তাবিত (Abhijit Deepke)‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ যাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কর্মসূচি শুরুর আগেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ…

নয়াদিল্লি: দিল্লির কনট প্লেসে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রস্তাবিত (Abhijit Deepke)‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ যাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কর্মসূচি শুরুর আগেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-কে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে এই যাত্রার ডাক দিয়েছিল CJP। তবে প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় এবং এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় কর্মসূচি ঘিরে তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা।

পুলিশের পদক্ষেপে নির্ধারিত কর্মসূচি আদৌ কতটা এগোতে পারবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কনট প্লেসে তিরঙ্গা যাত্রার জন্য নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (NDMC)-এর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, এলাকায় ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় জমায়েত ও জনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিনিষেধও রয়েছে।

আরও দেখুনঃ ‘শহুরে নকশালদের চাল, লক্ষ্য ক্ষমতা দখল!’ বিরোধীদের তোপ বিজেপির

এই পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দিকেই নজর দিয়েছে পুলিশ। কোনও কর্মসূচির রাজনৈতিক বা সামাজিক উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, নির্দিষ্ট এলাকায় প্রশাসনিক বিধিনিষেধ কার্যকর থাকলে তা মেনে চলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

অভিজিৎ দীপকে-কে আটক করার ঘটনাটি সামনে আসে যখন তিনি এনসিপি-এসসিপি (NCP-SCP)-এর মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডের বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসছিলেন। সেই সময় সেখানে উপস্থিত এক পুলিশ আধিকারিক তাঁকে জানান, তাঁকে প্রতিরোধমূলক আটকের আওতায় নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, কনট প্লেসে ১৬৩ ধারা কার্যকর রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁকে আটক করা হচ্ছে।

পুলিশের এই পদক্ষেপে স্পষ্ট, নির্ধারিত কর্মসূচিকে (Abhijit Deepke)ঘিরে প্রশাসন আগেভাগেই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। তবে অভিজিৎ দীপকে-কে ঠিক কতক্ষণ আটক রাখা হবে, তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী কী পদক্ষেপ করা হবে এবং তাঁকে কোনও নির্দিষ্ট মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়। প্রতিরোধমূলক আটক এবং নিয়মিত গ্রেফতার এক বিষয় নয়। তাই পুলিশের পদক্ষেপের আইনি ভিত্তি ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সরকারি বিবৃতি বা সংশ্লিষ্ট নথির প্রয়োজন রয়েছে।

CJP-র আহ্বানে আয়োজিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ যাত্রার জন্য দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ককে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কর্মসূচির নাম থেকেই বোঝা যায়, জাতীয় পতাকাকে সামনে রেখে এই জমায়েতের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে যাত্রার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, কর্মসূচির সম্পূর্ণ রূপরেখা এবং আয়োজকদের বক্তব্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য না থাকায় এর পিছনের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক লক্ষ্য নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

কনট প্লেস দিল্লির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকা।(Abhijit Deepke) প্রতিদিন বহু মানুষ কেনাকাটা, কাজকর্ম এবং যাতায়াতের জন্য এই অঞ্চলে আসেন। সেন্ট্রাল পার্কেও বিভিন্ন সময়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ ও অন্যান্য কর্মসূচি হয়ে থাকে। ফলে সেখানে কোনও জমায়েতের আয়োজন করা হলে জনসাধারণের চলাচল, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলি প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এই পরিস্থিতিতে NDMC-র অনুমতি না পাওয়া এবং ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকার বিষয়টি কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল কি না, আবেদন করা হয়ে থাকলে তা কেন মঞ্জুর হয়নি এবং পুলিশের সঙ্গে সংগঠনের কোনও আলোচনা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।

ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জরুরি পরিস্থিতিতে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ জারির ক্ষমতা দেয়। (Abhijit Deepke)পরিস্থিতি অনুযায়ী এই ধারার অধীনে জমায়েত, নির্দিষ্ট কাজকর্ম বা জনসাধারণের নিরাপত্তার পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তবে কোনও এলাকায় এই ধারা কার্যকর থাকলেই সব ধরনের জমায়েত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেআইনি হয়ে যায়, এমন নয়। সংশ্লিষ্ট আদেশে কী বিধিনিষেধ রয়েছে, তার উপর বিষয়টি নির্ভর করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *