এ বার কাজিয়া হলফনামায়, দ্বন্দ্ব দুই তৃণমূলে
সুপ্রিম কোর্ট গত সেপ্টেম্বরে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনকে তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলকে প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেয় সর্বোচ্চ আদালত। তৃণমূলের দু’পক্ষ ইতিমধ্যেই নথি ও হলফনামা তৈরির কাজে নেমে পড়েছে। দুই শিবিরের ব্যাখ্যা, এ ক্ষেত্রে সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং জনপ্রতিনিধিদের হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে তাঁরা কোন শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন। সাংগঠনিক নেতৃত্ব বলতে ব্লক সভাপতি, ওয়ার্ড সভাপতি, টাউন সভাপতি, জেলা সভাপতি, জেলা কমিটির সদস্য থেকে রাজ্য কমিটি ও জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যদের বোঝায়। আর জনপ্রতিনিধি বলতে সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলার, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের সদস্যরা।
এই হলফনামা জোগাড় করার ক্ষেত্রে অরূপ রায়, বিপ্লব মিত্র, ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে পুলিশ সাহায্য করছে বলে মমতা তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে লিখিত অভিযোগ করেছেন।