দু’টি দলিল বাতিলের নির্দেশ দিল আদালত, সাঁকরাইলের জমি-কাণ্ডে ‘মৃত’ও ‘জীবিত’!
প্রসঙ্গত, গত বছর ওই ঘটনার পরে ‘সিট’ গঠন করা হয়। মূল অভিযুক্ত-সহ মোট ন’জন গ্রেপ্তার হয়। ধৃতরা এখনও জেলবন্দি। মামলাটি ঝাড়গ্রাম আদালতে বিচারাধীন। ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। প্রতারিত জমির মালিকদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হন ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের সচিব তথা বিচারক রিহা ত্রিবেদীর নির্দেশে বাঁকড়ায় গত মার্চে আইনি শিবির হয়। লক্ষণ মাহাতো, মনোজ মাহাতো-সহ আট জন চাষি ভুয়ো দলিল বাতিলের জন্য সিভিল জাজ (জুনিয়র ডিভিশন) আদালতে মামলা করেন। জুলাইয়ে আরও ১২১টি মামলা দায়ের হয়। বাঁকড়ার উজ্জ্বল মাহাতোর কথায়, ‘ আশা করি, প্রতারিত অন্য চাষিরাও সুবিচার পাবেন।’