Bigg Boss Bangla: ‘ওরা আমায় বেচে দিয়েছে!’ হাউহাউ করে কাঁদলেন মনামী, নিশানায় কারা? | Bigg Boss Bangla: Monami Ghosh Cries Out, in Captaincy Task
মনামী ঘোষ (Monami Ghosh) বিগ বসের ঘরে হাউহাউ করে কাঁদছেন! ভাবা যায়? দিন যত এগোচ্ছে, এই শোয়ের অন্দরে ততই যেন খেলার রং বদলাচ্ছে। কে আপন আর কে পর, তা বোঝা বড়ই মুশকিল। সম্প্রতি নতুন ক্যাপ্টেন বেছে নেওয়ার একটা খেলাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেল। ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে!’— ঠিক এই ভাষাতেই নিজের দলের লোকেদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন সবার পরিচিত মনামী। কিন্তু কেন এত কষ্ট তাঁর? চলুন, পুরো ঘটনাটা খুলে বলা যাক।
ঘরে চলছিল ক্যাপ্টেনসি টাস্ক। বর্তমান ক্যাপ্টেন নিরঞ্জন এই খেলা থেকে ভরত কলকে বাদ দিয়ে দেন। আর পুরো খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জীতু। নিয়মটা ছিল খুব মজার, প্রতিযোগীদের দুটো দলে ভাগ হয়ে বিপক্ষ দলের বল ছিনিয়ে নিয়ে বালতিতে ফেলতে হবে। জীতুর সামনে যাঁরা শেষ পর্যন্ত নিজেদের বল বাঁচাতে পারবেন এবং অন্যের বল ছিনিয়ে আনতে পারবেন, তাঁরাই জিতবেন। তবে বিগ বসের নিয়মে কড়াকড়ি তো থাকবেই! বারণ ছিল জামার ভেতর বল লুকানো বা জলে ফেলে দেওয়া। সব চেয়ে বড় শর্ত ছিল, বল কাড়াকাড়ি করতে গিয়ে কোনও ছেলে যদি কোনও মেয়েকে ছুঁয়ে ফেলে, তবে সেটা নিয়ে কোনও ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলা চলবে না।
এই লড়াইতে এক দিকে ছিলেন মনামী, নন্দিনী, রাজবীর ও সোনামণি। অন্য দিকে ছিলেন সৃজলা, দুর্নিবার, তনুশ্রী ও নিরঞ্জন।
খেলা শেষ হতেই হঠাৎ ছবিটা বদলে যায়। হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন মনামী। তাঁকে এমন কাঁদতে দেখে ভরত কল ছুটে আসেন কারণ জানতে। তখনই মনামী তাঁর মনের সব কষ্ট উগরে দেন। তাঁর সোজা অভিযোগ, নিজের দলের রাজবীর ও নন্দিনী নাকি বিপক্ষ দলের কাছে তাঁকে স্রেফ ‘বেচে’ দিয়েছেন! শুধু তাই নয়, ভরত কলের ওপরও তাঁর বেজায় রাগ। মনামীর দাবি, ভরত তাঁকে বারবার খেলার জন্য ঠেলে দিলেও দরকারের সময় একটুও পাশে দাঁড়ান না। ভরত অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও মনামী নিজের জেদেই অটল থাকেন।
তবে এই কান্নাকাটির পিছনে রয়েছে এক বিরাট গোপন ছক! কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, নিরঞ্জনের সঙ্গে নাকি নন্দিনীর একটা গোপন চুক্তি হয়েছিল। সেই প্ল্যান অনুযায়ী ঠিক ছিল, প্রথমে সৃজলাকে আউট করা হবে। তারপর নিজেদের দল থেকেই মনামীকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এরপর আস্তে আস্তে বাকিদেরও সরিয়ে দিয়ে দুর্নিবারকে ক্যাপ্টেন করার বিরাট একটা ছক কষা হয়েছিল!
খেলার নাম করে বিগ বসের ঘরে বন্ধুত্বের আড়ালে যে আসলে কতটা রাজনীতির খেলা চলছে, সেটা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার। আগামী দিনে এই সমীকরণ কোন দিকে যায়, এখন সেটাই দেখার।