২০২৯ থেকে BS7 নির্গমন বিধি? গাড়ির দাম বাড়বে, পুরনো গাড়ির মালিকদের কী জানা জরুরি
ভারতে গাড়ির ধোঁয়া থেকে দূষণ কমাতে নতুন ভারত স্টেজ ৭ বা বিএস ৭ নির্গমন বিধি চালুর প্রস্তুতি চলছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৯ সালের এপ্রিল থেকে যাত্রীবাহী গাড়িতে এই বিধি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে ছোট বাণিজ্যিক গাড়ি এবং ভারী যানবাহনকেও নতুন নিয়মের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। নতুন বিধিতে শুধু ইঞ্জিনের ধোঁয়া নয়, টায়ারের ক্ষয় এবং ব্রেক প্যাড থেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র কণার দিকেও নজর দেওয়া হবে।
নতুন নিয়মের লক্ষ্য হল যানবাহন থেকে নির্গত ক্ষতিকর দূষণ কমানো এবং বাতাসের গুণমান উন্নত করা। তবে এই বিধি কার্যকর হলে নতুন গাড়ির উৎপাদন খরচ বাড়তে পারে, যার প্রভাব ক্রেতাদের উপরেও পড়তে পারে। অন্যদিকে, বর্তমানে যাঁদের গাড়ি রয়েছে, তাঁদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি বদলানো বা ইঞ্জিনে পরিবর্তন করার প্রয়োজন হবে বলে প্রস্তাবিত তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে না। তবে চূড়ান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিয়মগুলির সঠিক পরিধি ও সময়সীমা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিএস ৭ নির্গমন বিধিতে নতুন কী থাকছে?
বিএস ৭-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল বাতাসে ছড়িয়ে পড়া আরও ক্ষুদ্র দূষণকণার উপর নজরদারি। বর্তমানে বিএস ৬.২ বিধিতে কণার আকারের ক্ষেত্রে ২৩ ন্যানোমিটার পর্যন্ত পরিমাপের কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রস্তাবিত বিএস ৭ ব্যবস্থায় এই সীমা কমিয়ে ১০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র কণা পরিমাপের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই পরিবর্তনের কারণ হল, খুব ছোট দূষণকণা শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে এবং মানবস্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। তাই শুধু দৃশ্যমান ধোঁয়া বা বড় কণার পরিমাণ পরিমাপ না করে আরও সূক্ষ্ম দূষণ শনাক্ত করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে বিএস ৬.২ বিধিতে কেবল বড় কণাই পরীক্ষা করা হয়। বিভিন্ন দূষক পদার্থের জন্য আলাদা পরিমাপের নিয়ম রয়েছে। নতুন বিধিতে নির্দিষ্ট ক্ষুদ্র কণার পরিমাপ আরও বিস্তৃত করার প্রস্তাবই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
টায়ার ও ব্রেকের ধুলোও আসবে নিয়ন্ত্রণের আওতায়
এখনও পর্যন্ত গাড়ির নির্গমন নিয়ন্ত্রণের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইঞ্জিন থেকে বেরিয়ে আসা ধোঁয়া ও গ্যাস। প্রস্তাবিত বিএস ৭ বিধিতে টায়ারের ঘর্ষণজনিত ক্ষয় এবং ব্রেক প্যাড থেকে তৈরি ধুলোর মতো দূষণকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
গাড়ি চলার সময় রাস্তার সঙ্গে টায়ারের ঘর্ষণে ক্ষুদ্র কণা তৈরি হয়। একইভাবে ব্রেক ব্যবহার করলে ব্রেক প্যাড ও অন্যান্য অংশের ক্ষয় থেকেও কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই ধরনের দূষণকে সাধারণভাবে ‘নন-এক্সহস্ট এমিশন’ বলা হয়।
নতুন বিধি কার্যকর হলে গাড়ি নির্মাতাদের টায়ার ও ব্রেকের উপাদান নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হতে পারে। দূষণ কমাতে উপযুক্ত উপাদান এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। এর ফলে শুধু ইঞ্জিন নয়, গাড়ির অন্যান্য যন্ত্রাংশের নকশাতেও পরিবর্তন আসতে পারে।
বাস্তব রাস্তায় দূষণ পরীক্ষার পরিকল্পনা
বিএস ৭-এর আরেকটি সম্ভাব্য পরিবর্তন হল বাস্তব পরিস্থিতিতে গাড়ির নির্গমন পরীক্ষা আরও জোরদার করা। পরীক্ষাগারে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে গাড়ির দূষণ পরিমাপ করা হয়। কিন্তু বাস্তবে যানজট, রাস্তার অবস্থা, তাপমাত্রা এবং চালানোর ধরন অনুযায়ী নির্গমনের পরিমাণ বদলাতে পারে।
এই পার্থক্য বুঝতে বাস্তব রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দূষণ পরীক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, গাড়ির পুরো ব্যবহারকাল জুড়ে নির্গমন পর্যবেক্ষণের জন্য সেন্সর ব্যবহারের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এ ছাড়া, রাস্তায় চলাচলকারী বিএস ৭-সম্মত গাড়ির উপর স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে আকস্মিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে। তবে এই পরীক্ষা কীভাবে পরিচালিত হবে, কোন সংস্থা দায়িত্ব পাবে এবং নিয়ম ভাঙলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে সম্পর্কে চূড়ান্ত বিবরণ এখনও স্পষ্ট নয়।
কোন বছর থেকে কোন গাড়িতে বিএস ৭ কার্যকর হতে পারে?
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিএস ৭ তিনটি পর্যায়ে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। তবে এই সময়সীমাকে এখনও চূড়ান্ত সরকারি নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
| পর্যায় | প্রস্তাবিত সময় | কোন যানবাহন |
| প্রথম পর্যায় | এপ্রিল ২০২৯ | নতুন তৈরি যাত্রীবাহী গাড়ি |
| দ্বিতীয় পর্যায় | ২০৩০ সাল | ছোট বাণিজ্যিক গাড়ি |
| তৃতীয় পর্যায় | এপ্রিল ২০৩৫ | ট্রাক, বাস, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্র এবং অন্যান্য ভারী যানবাহন |
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে যাত্রীবাহী গাড়িতে নতুন নিয়ম চালু হবে। এরপর ছোট বাণিজ্যিক যানবাহন এবং সবশেষে ভারী যানবাহনকে নিয়মের আওতায় আনার কথা রয়েছে।
দুই চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনও জানানো হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এই বিভাগে নতুন নিয়ম কবে থেকে কার্যকর হবে, তা জানতে পরবর্তী সরকারি ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।
বিএস ৭ চালু হলে গাড়ির দাম কি বাড়বে?
নতুন নির্গমন বিধি মেনে গাড়ি তৈরি করতে নির্মাতাদের গবেষণা, উন্নয়ন এবং যন্ত্রাংশে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। দূষণ নিয়ন্ত্রণের উন্নত ব্যবস্থা, নতুন উপাদান এবং অতিরিক্ত পরীক্ষার খরচ উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে পারে।
এর একটি অংশ গাড়ির বিক্রয়মূল্যে যোগ হতে পারে। ফলে ২০২৯ সালের পর নতুন বিএস ৭-সম্মত গাড়ি কেনার সময় ক্রেতাদের বেশি দাম দিতে হতে পারে। তবে কতটা দাম বাড়বে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত নিয়ম, প্রযুক্তির খরচ এবং নির্মাতাদের মূল্য নির্ধারণের উপর।
ভারী যানবাহনের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আরও বড় হতে পারে। উপলব্ধ প্রতিবেদনে ট্রাক ও বাসের মতো যানবাহনের কিছু দূষক নির্গমন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন দূষকের ক্ষেত্রে এই লক্ষ্যমাত্রা প্রযোজ্য হবে, তা চূড়ান্ত বিধিতে যাচাই করা জরুরি।
পুরনো গাড়ির মালিকদের কি চিন্তার কারণ রয়েছে?
প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, এপ্রিল ২০২৯ থেকে তৈরি হওয়া যাত্রীবাহী গাড়িগুলিকে নতুন বিধি মেনে চলতে হবে। সেই হিসেবে তার আগে তৈরি গাড়িগুলির ক্ষেত্রে নতুন উৎপাদন-সংক্রান্ত নিয়ম স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য হবে না।
অর্থাৎ, বর্তমানে আপনার কাছে বিএস ৬-সম্মত গাড়ি থাকলে শুধু বিএস ৭ চালু হচ্ছে বলে গাড়ি বদলাতে হবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর কারণ নেই। নতুন বিধি পুরনো গাড়ির অনুমোদিত ব্যবহারকাল কমিয়ে দেবে, এমন কোনও তথ্যও এখানে দেওয়া হয়নি।
তবে গাড়ির ব্যবহার, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং চলাচলের অনুমতি সংক্রান্ত স্থানীয় নিয়ম আলাদা হতে পারে। বিশেষ করে দিল্লির মতো শহরে পেট্রল ও ডিজেল গাড়ির বয়স এবং চলাচল নিয়ে পৃথক বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই পুরনো গাড়ি কত দিন চালানো যাবে, সেই প্রশ্নে শুধু বিএস ৭ বিধির উপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা শহরের নিয়মও দেখতে হবে।
জ্বালানির মান কি বদলাতে হবে?
প্রস্তাবিত বিএস ৭ বিধিতে জ্বালানির মান বা গঠন বদলানোর কথা উল্লেখ করা হয়নি। তাই বিএস ৬ থেকে বিএস ৭-এ যাওয়ার সময় নতুন জ্বালানি চালু হবে বা বর্তমান গাড়িতে আলাদা জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিত্তি নেই।
ভারত বিএস ৪ থেকে বিএস ৬-এ যাওয়ার সময় বিএস ৫ ধাপটি এড়িয়ে গিয়েছিল। বিএস ৬ চালুর সময় জ্বালানির মানের পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু প্রস্তাবিত বিএস ৭ ব্যবস্থায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আরও ক্ষুদ্র দূষণকণা, নন-এক্সহস্ট দূষণ এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে নির্গমন পর্যবেক্ষণের উপর।
এখন কি নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেবেন?
শুধু বিএস ৭ চালু হওয়ার সম্ভাবনার কারণে এখনই নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হতে এখনও সময় রয়েছে। বর্তমানে বাজারে থাকা গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বাজেট, জ্বালানি খরচ, নিরাপত্তা, ব্যবহারিক চাহিদা এবং গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়গুলি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তবে কেউ যদি ২০২৯ সালের কাছাকাছি নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করেন, তাহলে তখনকার চূড়ান্ত বিধি, মডেলের প্রাপ্যতা এবং দামের পরিবর্তন সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে।
ডিজেল গাড়ির ক্ষেত্রেও প্রস্তাবিত তথ্য অনুযায়ী, আলাদা কোনও নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়নি। পেট্রল ও ডিজেল-সহ অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনযুক্ত গাড়িগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্গমন নিয়ম মেনে চলতে হবে। তবে কোন ইঞ্জিনে কী ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন লাগবে, তা চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশের পরেই পরিষ্কার হবে।
বিএস ৭ বিধি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: বিএস ৭ কবে থেকে চালু হবে?
প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, যাত্রীবাহী গাড়িতে এপ্রিল ২০২৯ থেকে, ছোট বাণিজ্যিক গাড়িতে ২০৩০ সাল থেকে এবং ভারী যানবাহনে এপ্রিল ২০৩৫ থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। চূড়ান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে সময়সীমা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশ্ন: আমার বর্তমান গাড়ি কি বাতিল হয়ে যাবে?
শুধু বিএস ৭ চালু হওয়ার কারণে বর্তমান গাড়ি বাতিল হয়ে যাবে, এমন কোনও তথ্য নেই। তবে গাড়ির বয়স, দূষণ সংক্রান্ত বিধি এবং স্থানীয় চলাচলের নিয়ম আলাদাভাবে প্রযোজ্য হতে পারে।
প্রশ্ন: বিএস ৬-এর তুলনায় বিএস ৭-এর প্রধান পার্থক্য কী?
প্রস্তাবিত নিয়মে ১০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র কণা পরিমাপ, টায়ার ও ব্রেক থেকে তৈরি দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তব রাস্তায় নির্গমন পরীক্ষার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রশ্ন: নতুন গাড়ির দাম কি বাড়বে?
উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের খরচ বাড়লে গাড়ির দাম বাড়তে পারে। তবে মূল্যবৃদ্ধির নির্দিষ্ট পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।
প্রশ্ন: নতুন জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে?
প্রস্তাবিত তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানির মান বদলানোর কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানানো হয়নি। চূড়ান্ত বিধিতে এই বিষয়ে কোনও পরিবর্তন থাকলে তা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট হবে।
প্রশ্ন: ডিজেল গাড়ির উপর কি আলাদা নিষেধাজ্ঞা আসছে?
উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, ডিজেল গাড়ির জন্য আলাদা কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনযুক্ত গাড়িগুলিকে নতুন নির্গমন মান পূরণ করতে হতে পারে।
বিএস ৭ নির্গমন বিধির মূল লক্ষ্য হল গাড়ির ধোঁয়ার পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকে ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র দূষণকণাও নিয়ন্ত্রণ করা। বাস্তব রাস্তায় নির্গমন পরীক্ষা এবং গাড়ির ব্যবহারকাল জুড়ে দূষণ পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর হলে নিয়ম মানার প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি আসতে পারে। একই সঙ্গে নির্মাতাদের উৎপাদন খরচ বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
তবে বর্তমানে আলোচিত সময়সীমা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনগুলিকে প্রস্তাবিত পরিকল্পনা হিসেবেই দেখা উচিত। চূড়ান্ত সরকারি খসড়া এবং বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই বোঝা যাবে, কোন নিয়ম ঠিক কীভাবে কার্যকর হবে এবং গাড়ির মালিকদের উপর তার প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে।
Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business