Operation Barbarossa: ফিরছে অপারেশন বারবারোসার স্মৃতি, ২০২৮ সালের মধ্যে জার্মানিতে হামলা করবে রাশিয়া? | Germany Fears Russian Attack by 2028: Ex Spy Chief Accused of Leaking Secret Documents
১৯৪১ সালের ২২ জুলাই। রাত তিনটে পঞ্চাশ নাগাদ ঘুম ভেঙে জোসেফ স্ট্যালিন শুনলেন, তাঁর দেশ আক্রান্ত। হিটলারের বাহিনী গত ৪৫ মিনিট ধরে রাশিয়ার আকাশে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ইতিহাসে তা অপারেশন বারবারোসা নামে খ্যাত। ২০২৮ সালের মধ্যে কী আরও এক অপারেশন বারবারোসা দেখা যাবে? এবার কি রাশিয়া আক্রমণ করবে জার্মানিতে? জার্মান সরকারের ওয়ারফেয়ার প্রিপারেশন কমিটির আশঙ্কা, ২০২৮ সালের মধ্যে যে কোনও সময়ে জার্মানিতে রুশ হামলা হবে। হামলা হলে জার্মানি কী করবে? কী করবে, তার চেয়েও বড় কথা হল, কতটা কী করা যাবে?
আসলে, জার্মানির ওয়ারফেয়ার প্রিপারেশন কমিটি একটা রিপোর্ট তৈরি করেছিল। রুশ আক্রমণ হলে তা সামাল দিতে জার্মানি কতটা তৈরি, সেই ব্যাপারে রিপোর্ট। এক হাজার দুশো পাতার টপ সিক্রেট রিপোর্টের একটা অংশই শুধু জার্মান সংসদে পেশ করা হয়। তাও মাত্র ১৬৫ পাতার। বাকিটা হাতে গোনা কয়েকজনের বাইরে আর কেউ জানে না।
কয়েকদিন আগে জার্মান সুপার ইনটেলিজেন্সের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন সেদেশের প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান। অগাস্ট হ্যানিং। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫। দীর্ঘ ৭ বছর একধারে গোয়েন্দা প্রধান ছিলেন হ্যানিং। অন্য ধারে জার্মানির অস্ত্রভান্ডারের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন। পরে জার্মান চ্যান্সেলরের উপদেষ্টা এবং ন্যাটোর পরামর্শদাতা হিসাবেও কাজ করেছেন।
এত হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগটা ঠিক কী? অভিযোগ রীতিমতো গুরুতর। প্রথমত, হ্যানিং নাকি জার্মান পুলিশ চিফকে ঘুষ দিয়ে বিভিন্ন সময় গোপন নথি হাত করেছেন। এমন সব নথি, যা তাঁর পাওয়ার কথাই নয়। দ্বিতীয়ত, দু-হাজারের বেশি গোপন নথি বিক্রি। অজ্ঞাতপরিচয় বিভিন্ন ব্যক্তি এবং সংস্থার হাতে সেইসব নথি তুলে দিয়েছেন হ্যানিং। জার্মানির ওয়ারফেয়ার প্রিপারেশন কমিটি যে রিপোর্ট তৈরি করে, তাও নাকি হ্যানিং হাত করতে চেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেননি। কারণ তাঁর চেনাজানা কোনও লোকের হাতে সেই নথির অ্যাকসেস ছিল না। কিন্তু হ্যানিং যে ওই নথি পাওয়ার চেষ্টা করছেন, সেটা জেনে ফেলে জার্মান পুলিশ।