হাওড়া থেকে নয়াদিল্লি, আসতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার
কলকাতা: হাওড়া থেকে নয়াদিল্লি যাত্রায় নতুন গতির স্বপ্ন এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল( Vande Bharat)। ভারতীয় রেলের বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস চালুর প্রস্তাব নিয়ে…
কলকাতা: হাওড়া থেকে নয়াদিল্লি যাত্রায় নতুন গতির স্বপ্ন এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল( Vande Bharat)। ভারতীয় রেলের বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। ধানবাদ হয়ে এই রুটে ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নভি মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে বলে খবর। অক্টোবর ৮ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে কোঙ্কন রেলওয়ের সদর দফতরে এই বৈঠক হয়। তবে রেল বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন এখনও বাকি।
এই প্রস্তাবিত ট্রেনটি রাজধানী এক্সপ্রেসের চেয়েও কম সময়ে দিল্লি পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও সঠিক সময়সূচি ও যাত্রাকাল এখনও চূড়ান্ত হয়নি। গ্র্যান্ড কর্ড সেকশনে পরিকাঠামো উন্নয়ন ও গতি পরীক্ষা চলছে। সেই উন্নতির ফলেই দ্রুতগতির এই পরিষেবা সম্ভব হতে পারে।
আরও দেখুনঃ ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে না ০.৪ % মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট
বন্দে ভারত স্লিপার ভারতীয় রেলের এক নতুন অধ্যায়। ( Vande Bharat)আগে শুধু চেয়ার কার পরিষেবা থাকলেও এখন রাতের যাত্রার জন্য স্লিপার সংস্করণ তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যে হাওড়া-কামাখ্যা রুটে প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত চালু হয়েছে। এবার হাওড়া-দিল্লি রুটের কথা উঠেছে। যাত্রীরা আরামদায়ক বার্থ, আধুনিক সুবিধা আর দ্রুতগতির অভিজ্ঞতা পাবেন বলে প্রত্যাশা।
রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই শতাধিক বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনসেট তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। বিইএমএল, কাইনেট, তিতাগড়-বিএইচইএল কনসোর্টিয়াম ও চেন্নাইয়ের আইসিএফ এই উৎপাদনে যুক্ত। হাওড়া-দিল্লি পরিষেবার জন্যও সেই ট্রেনসেট ব্যবহার হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রেল বোর্ডের ওপর নির্ভর করছে।
পূর্ব ভারতের যাত্রীদের জন্য এটি বড় সুখবর। হাওড়া থেকে দিল্লি যাত্রা অনেকেরই নিয়মিত প্রয়োজন। ব্যবসা, পড়াশোনা, চিকিৎসা বা পারিবারিক কাজে এই রুটে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। রাজধানী এক্সপ্রেস এখনও জনপ্রিয়, কিন্তু বন্দে ভারত স্লিপার এলে সময় বাঁচবে এবং আরাম বাড়বে।
গ্র্যান্ড কর্ড রুটটি ইতিমধ্যেই ব্যস্ত। ( Vande Bharat)সেখানে গতি বাড়ানোর কাজ চলছে। পরিকাঠামো উন্নয়ন সম্পূর্ণ হলে আরও দ্রুতগতির ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। ধানবাদ হয়ে যাওয়ার ফলে ঝাড়খণ্ডের যাত্রীরাও উপকৃত হবেন। স্টেশনগুলোতে থামার পরিকল্পনা এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে স্টপ থাকতে পারে।
রেল কর্মকর্তারা বলছেন, সময়সূচি নিয়ে কাজ চলছে। রেল বোর্ড অনুমোদন দিলেই দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু হবে। যাত্রীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কেউ বলছেন, রাতের যাত্রা আরও আরামদায়ক হবে। কেউবা সময় বাঁচানোর কথা ভাবছেন।