জমি নিয়ে বিতর্কেও পুজোর অনুমতি! ঐতিহ্য রক্ষায় হাইকোর্টের বার্তা - 24 Ghanta Bangla News
Home

জমি নিয়ে বিতর্কেও পুজোর অনুমতি! ঐতিহ্য রক্ষায় হাইকোর্টের বার্তা

Spread the love

কলকাতা: বাংলায় দুর্গাপূজার মরসুমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উদযাপনের অধিকার (High Court)নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। কলকাতা হাইকোর্ট বিভিন্ন মামলায় পূজা আয়োজনের অনুমতি দিয়ে…

কলকাতা: বাংলায় দুর্গাপূজার মরসুমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উদযাপনের অধিকার (High Court)নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। কলকাতা হাইকোর্ট বিভিন্ন মামলায় পূজা আয়োজনের অনুমতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে। এর ফলে স্থানীয় কমিটিগুলো নির্ধারিত স্থানে পূজা ও বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে পারছে।

সাম্প্রতিক রায়গুলোতে আদালত বলেছে, দুর্গাপূজা জনসাধারণের জন্য। (High Court)আয়োজকদের কোনো ব্যক্তিগত বা বিশেষ অধিকার নেই। এক মামলায় রেল কর্মচারী ইউনিয়নকে রেলের জমিতে পূজা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্য মামলায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী পূজা বিতর্কিত জমিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার অনুমতি মিলেছে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও দীর্ঘদিনের প্রথা বজায় রাখা যায়।

আরও দেখুনঃ ফের মোদী রাজ্যে পদ্ম ঝড়! গান্ধীনগর পৌরসভা নির্বাচনে বড় মার্জিনে জয় বিজেপির

এই রায়গুলো পূজা কমিটিগুলোর জন্য স্বস্তি নিয়ে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে অনুমতি নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে আদালতের দ্বারস্থ হতে হত। বর্তমানে রাজ্য সরকারের তরফে নতুন পূজা কমিটিগুলোকে অনুমতি ও সহায়তা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এবার হাজার হাজার নতুন পূজার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং অনুদান বিতরণ করা হচ্ছে।

দুর্গাপূজা বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। (High Court )প্যান্ডেল, প্রতিমা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিসর্জন মিলে এটি এক বিশাল উৎসব। বিসর্জনের সময় যান চলাচল ও নিরাপত্তার জন্য নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ থাকে। পুলিশ ও প্রশাসন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা করে থাকে যাতে উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পূজা উদযাপনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সাস্ট্রীয় পরম্পরা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পাড়ার পরিবেশ বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। অতীতের কিছু বিতর্ক এড়িয়ে এবারের উদযাপনকে আরও সুষ্ঠু করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

হাইকোর্টের রায়গুলো দেখিয়েছে যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে বাধাগ্রস্ত করা যায় না। পূজা জনগণের অধিকার। আয়োজকরা শুধু সেই অধিকার বাস্তবায়ন করেন। এই বার্তা পূজা কমিটি ও ভক্তদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

বাংলার দুর্গাপূজা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া ঐতিহ্য। এর উদযাপন শুধু ধর্মীয় নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকও। প্রতি বছর হাজার হাজার প্যান্ডেল সাজে। শিল্পী, কারিগর, স্বেচ্ছাসেবক সবাই যুক্ত থাকেন। বিসর্জনের সময় গঙ্গায় বা স্থানীয় জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। পরিবেশ সুরক্ষার নিয়মও মেনে চলার চেষ্টা করা হয়।

বর্তমান প্রশাসন দাবি করছে, ভয়মুক্ত পরিবেশে উৎসব পালনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। (High Court )উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক গর্বের সঙ্গে এগোতে চাইছে রাজ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করার কথা বলা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলে মতভেদ রয়েছে। বিভিন্ন দল নিজেদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *