Bajaj-এর একাধিক অ্যাডভেঞ্চার বাইক আসার জল্পনা, ১৫০ থেকে ২৫০ সিসি মডেল - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bajaj-এর একাধিক অ্যাডভেঞ্চার বাইক আসার জল্পনা, ১৫০ থেকে ২৫০ সিসি মডেল

Spread the love

ভারতে প্রথম অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল ২০২৬ সালের শেষের আগেই বাজারে আনতে পারে Bajaj Auto। তবে সংস্থার পরিকল্পনা শুধু একটি মডেলেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। Bajaj Brazil-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ওয়ালডির ফেরেইরার সাম্প্রতিক মন্তব্যে একাধিক ট্রেইল মোটরসাইকেল আনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ১৫০-১৬০ সিসির ছোট অ্যাডভেঞ্চার বাইক থেকে ২৫০ সিসির মডেল, বিভিন্ন ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেল নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এখনও কোনও নির্দিষ্ট মডেল বা ইঞ্জিনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি সংস্থা।

ভারতের পাশাপাশি ব্রাজিলেও Bajaj-এর নতুন অ্যাডভেঞ্চার বাইক পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। এত দিন পর্যন্ত একটি অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল নিয়েই মূলত আলোচনা চলছিল। কিন্তু সংস্থার ব্রাজিল বিভাগের শীর্ষ আধিকারিকের মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, ভবিষ্যতে এই সেগমেন্টে একাধিক বাইক আনতে পারে Bajaj।

২৫০ সিসির অ্যাডভেঞ্চার বাইক আনছে Bajaj?

Bajaj-এর প্রথম অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল ভারতীয় রাস্তায় একটি পরীক্ষামূলক বাইক নজরে আসার পর। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বাইকটিতে Pulsar N250 থেকে নেওয়া ইঞ্জিন ব্যবহার করা হতে পারে। বর্তমানে Pulsar N250-এর ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ২৪.৫ পিএস শক্তি এবং ২১.৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে।

তবে নতুন অ্যাডভেঞ্চার বাইকে ঠিক এই ইঞ্জিনই ব্যবহার করা হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। একইভাবে, সংস্থাটি একাধিক ইঞ্জিন বিকল্পে বাইকটি বাজারে আনবে কি না, সেই বিষয়েও কোনও চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

২৫০ সিসির মডেলটি বাজারে এলে এটি এমন ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে পারে, যাঁরা শহরের রাস্তায় চালানোর পাশাপাশি দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ এবং হালকা অফ-রোড যাত্রার জন্য একটি মোটরসাইকেল খুঁজছেন।

১৫০-১৬০ সিসির ছোট ADV-ও আসতে পারে

Bajaj-এর পরিকল্পনায় তুলনামূলক ছোট ইঞ্জিনের অ্যাডভেঞ্চার বাইকও থাকতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ১৫০ থেকে ১৬০ সিসির একটি মডেল বাজারে এলে কম খরচে অ্যাডভেঞ্চার-স্টাইলের বাইক কেনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে ব্রাজিলের মতো বাজারে এই ধরনের মোটরসাইকেলের চাহিদা রয়েছে। সেখানে Honda NXR Bros 160 এবং Yamaha Crosser 150-এর মতো ট্রেইল বাইক জনপ্রিয়। Bajaj-এর ছোট ADV এই ধরনের মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারে।

অন্যদিকে, বড় ইঞ্জিনের মডেল বাজারে এলে Yamaha Lander 250 এবং Honda Sahara 300-এর মতো বাইকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

তবে ১৫০-১৬০ সিসি এবং ২৫০ সিসির দুটি আলাদা মডেল আনার বিষয়টি এখনও অনুমাননির্ভর। Bajaj এখনও ইঞ্জিন ক্ষমতা, মডেলের সংখ্যা কিংবা লঞ্চের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি।

২০২৬ সালের শেষের আগেই প্রথম বাইক?

Bajaj-এর প্রথম অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল ২০২৬ সালের শেষের আগে বাজারে আসতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর আগে ওয়ালডির ফেরেইরা জানিয়েছিলেন, বাইকটির প্রোটোটাইপ ব্রাজিলে পৌঁছেছে এবং তিনি নিজেও সেটি চালিয়েছেন। গ্রাহকদের জন্য বাইকটিকে সম্ভাব্য ‘ক্রিসমাস উপহার’ হিসেবেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

এদিকে, বাইকটির যন্ত্রাংশের উন্নয়ন এবং হোমোলোগেশন বা বাজারে বিক্রির আগে প্রয়োজনীয় অনুমোদন সংক্রান্ত কাজও চলছিল বলে জানা গিয়েছে।

ভারত ও ব্রাজিলে পরীক্ষামূলক বাইক দেখা যাওয়ায় নতুন মোটরসাইকেলটির উন্নয়ন প্রক্রিয়া এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট লঞ্চের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

ডিজাইনে থাকছে অ্যাডভেঞ্চার বাইকের পরিচিত বৈশিষ্ট্য

পরীক্ষামূলক বাইকের স্পাই ছবিতে বেশ কিছু অ্যাডভেঞ্চার-স্টাইলের বৈশিষ্ট্য দেখা গিয়েছে। সামনে উঁচু বেক বা ঠোঁটের মতো অংশ, ফ্রন্ট ফর্কে গেইটার, স্পোক হুইল এবং লম্বা সিঙ্গল-পিস সিট রয়েছে।

এছাড়া উঁচুতে বসানো এগজস্ট, সোজা হয়ে বসে বাইক চালানোর উপযোগী রাইডিং পজিশন এবং সামনে টেলিস্কোপিক ফর্কের সঙ্গে পিছনে মনোশক সাসপেনশন দেখা গিয়েছে। পরীক্ষামূলক বাইকে ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারও নজরে এসেছে।

এই বৈশিষ্ট্যগুলি থেকে বোঝা যায়, মোটরসাইকেলটি দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি অসমান রাস্তা ও হালকা অফ-রোড ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে। তবে উৎপাদনের চূড়ান্ত মডেলে কী কী ফিচার থাকবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Bajaj Trekker হতে পারে নতুন বাইকের নাম

Bajaj Auto ‘Trekker’ নামটি ট্রেডমার্ক করেছে। ফলে নতুন অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এই নাম ব্যবহার করা হতে পারে বলে জল্পনা চলছে।

তবে সংস্থা এখনও বাইকের চূড়ান্ত নাম, ইঞ্জিনের স্পেসিফিকেশন কিংবা দাম প্রকাশ করেনি। তাই Trekker নামটি উৎপাদনের মডেলে ব্যবহার করা হবে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।

একাধিক মডেল আনলে কী সুবিধা হবে?

Bajaj যদি একাধিক ইঞ্জিন ক্ষমতার অ্যাডভেঞ্চার বাইক বাজারে আনে, তাহলে বিভিন্ন ধরনের ক্রেতার কাছে পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি হবে। ছোট ইঞ্জিনের মডেল তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং সহজে চালানোর উপযোগী হতে পারে। অন্যদিকে, বড় ইঞ্জিনের বাইক দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণ ও বেশি পারফরম্যান্স চাওয়া চালকদের আকর্ষণ করতে পারে।

তবে আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, Bajaj-এর অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে এবং প্রথম বাইকটি ২০২৬ সালের শেষের আগে আসতে পারে বলে প্রত্যাশা রয়েছে। ১৫০-১৬০ সিসি ও ২৫০ সিসির একাধিক মডেল সত্যিই বাজারে আসবে কি না, তা জানার জন্য সংস্থার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *