‘মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার করবেন না’, ককরোচ আন্দোলন নিয়ে সুপ্রিম–ভর্ৎসনা দিল্লি পুলিশকে
এই যুক্তি খারিজ করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘কোনও কিছু পুরোপুরি বন্ধ রাখা আর নিয়ন্ত্রণ করা— দুটোর মধ্যে তফাত আছে। এ ভাবে কোনও পরিষেবা স্তব্ধ করে দেওয়া যায় না।’ বেঞ্চের সংযোজন, ‘কোনও আন্দোলনকারী বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কথা ভেবে আমরা উদ্বিগ্ন নই। কিন্তু রোজ যে হাজার হাজার মানুষ দিল্লি থেকে কাজের জন্য গুরুগ্রাম, গ্রেটার নয়ডা, পূর্ব দিল্লি, দক্ষিণ দিল্লিতে যান, আমরা তাঁদের জন্য উদ্বিগ্ন। প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব গাড়ি নেই, প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের সামর্থ্যও নেই। তাঁদের কথা ভেবেই রেল-মেট্রো পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া যায় না। যাত্রীদের সাধারণ পরিষেবা পাওয়ার অধিকার আছে।’ এই মর্মেই শীর্ষ কোর্টের পর্যবেক্ষণ— মেট্রো বা রেলের ফ্রিকোয়েন্সি কমিয়ে পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু বন্ধ রাখা যাবে না। সেই সঙ্গে সুপ্রিম–নির্দেশ, যে সব নাগরিক সড়কপথে শহরের মধ্যে যাতায়াত করছেন, তাঁদের সুবিধার্থে যেন একটি ট্র্যাফিক অ্যাডভাইজ়রি জারি করা হয়। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের প্রশ্নেও শীর্ষ আদালতের বক্তব্য, সিকিউরিটি ইনপুট খতিয়ে দেখে একমাত্র স্পর্শকাতর এলাকাতেই এই পরিষেবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখা যায়।