শাই হোপের ঝোড়ো শতরানে উড়ে গেল ভারত, রেকর্ড ২৪৯ রান করেও উইন্ডিজ়ের কাছে হারতে হলো ৬ উইকেটে
১৮.৩ ওভারে চার উইকেটে ২৫২ রান তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। হাতে ছিল ন’টি বল। ছয় উইকেটে এই জয় বুঝিয়ে দিল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় রান করাই শেষ কথা নয়। সেই রান রক্ষা করার মতো বোলিং শক্তিও প্রয়োজন। ভারত ব্যাট হাতে রেকর্ড গড়লেও বল হাতে সেই মানের পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি।
ভারতের হয়ে মায়াঙ্ক যাদব চার ওভারে ৩৬ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব (Kuldeep Yadav) চার ওভারে ৫৩ রান দিয়ে একটি উইকেট পান। কিন্তু অক্ষর প্যাটেল (Axar Patel) ৩.৩ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। অর্শদীপ সিং (Arshdeep Singh) চার ওভারে ৪৫ রান দেন, তিনিও কোনও উইকেট পাননি। শিবম দুবের দুই ওভারে ওঠে ৩০ রান। নমন ধীর দুই ওভারে ২৫ রান দেন। অর্থাৎ, মায়াঙ্ক ও কুলদীপ ছাড়া আর কোনও ভারতীয় বোলার উইকেট পাননি। রান আটকানোর ক্ষেত্রেও ব্যর্থ হয়েছেন প্রায় প্রত্যেকেই।
অভিজ্ঞ পেসারের অভাবই কি বড় ধাক্কা?
ভারতের এই হারের পর দল নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। স্কোয়াডে অভিজ্ঞ পেসারের অভাব কি বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াল? মায়াঙ্ক যাদবের গতি রয়েছে, উইকেট নেওয়ার ক্ষমতাও দেখিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন এমন বিধ্বংসী ব্যাটিং করছে, তখন চাপের মুহূর্তে অভিজ্ঞ বোলারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সঠিক সময়ে লাইন-লেন্থ বদলানো, রান আটকে রাখা, ব্যাটারের দুর্বলতা বুঝে বল করা এবং প্রয়োজনের সময়ে উইকেট তুলে নেওয়ার দক্ষতা ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
মায়াঙ্কের তিন উইকেট ভারতের জন্য ইতিবাচক দিক। কিন্তু এক জন বোলার দিয়ে গোটা ইনিংস সামলানো সম্ভব নয়। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে যেখানে কয়েকটি ওভারই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে, সেখানে অভিজ্ঞ পেসারের উপস্থিতি দলের জন্য বাড়তি ভরসা হতে পারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ব্যাটাররা যখন আক্রমণ শুরু করেন, তখন তাঁদের রান তোলার গতি কমানোর মতো কার্যকর পরিকল্পনা ভারতের বোলিং বিভাগে দেখা যায়নি।