৬ বছর মিষ্টি-রুটি-দুধ বন্ধ, ভুবনেশ্বরের প্রত্যাবর্তনের নেপথ্যে আর কী কী ত্যাগ রয়েছে?
স্পিড নয়, সুইং ফেরানোই ছিল লক্ষ্য
ভুবনেশ্বরের ফিজিয়ো রমনীশ ভোরা এবং ব্যক্তিগত ট্রেনার সূর্য যাদব তাঁর প্রত্যাবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। ভোরা জানিয়েছেন, শুরুতে ভুবনেশ্বরের গতি বাড়ানোর দিকে তাঁদের নজর ছিল না। বরং তাঁর হারিয়ে যাওয়া সুইং ফিরিয়ে আনাই ছিল মূল লক্ষ্য। ভোরা বলেন, ‘ভুবনেশ্বর কখনও নিজের গতি বাড়াতে চাইছিল না। ও নিজের সুইংটা আবার ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিল। আমরা প্রথমে ওর সুইং নিয়ে কাজ করি। সূর্য প্রযুক্তিগত দিকগুলো দেখত, আর আমি ওর ট্রেনিং নিয়ে কাজ করতাম। ওকে ফাংশনাল ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি ওয়েট ট্রেনিংও করানো হয়।’
ভুবনেশ্বর চেয়েছিলেন, ২০১২ সালের মতোই ক্রিজ়ে তাঁর বাঁ পায়ের ল্যান্ডিং হোক। সেই লক্ষ্যেই কঠোর পরিশ্রম করেন তিনি। ভোরা আরও জানিয়েছেন, ‘ভুবনেশ্বর নিজের ফিটনেসকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়েছে। এখন ও আগের মতো নেই। চাইলে এখন ম্যারাথনও দৌড়তে পারবে।’
ছ’বছর চিনি নয়, রুটি-দুধও বন্ধ
শুধু মাঠে নয়, নিজের জীবনযাপনেও বড় বদল আনেন ভুবনেশ্বর। পার্টিতে যাওয়া কমিয়ে দেন, প্রায় ছ’বছর চিনি খাননি। গ্লুটেনযুক্ত খাবার, যার মধ্যে রুটিও রয়েছে, তা এড়িয়ে চলেছেন। দুধও বাদ দিয়েছেন, কারণ তিনি এখন ল্যাকটোজ়-মুক্ত ডায়েট মেনে চলেন। এই কঠোর ডায়েটের ফলে তাঁর ওজন ৮০ কেজি থেকে কমে ৭৫ কেজি হয়েছে। একই সঙ্গে শরীরে মেদের পরিমাণও ২৫ শতাংশ থেকে কমে ১৬ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ মেদ কমিয়ে পেশি বাড়িয়েছেন তিনি। যার প্রভাব দেখা গিয়েছে তাঁর বোলিংয়েও।