৩৫ বছর আলাদা থেকেও কেন হয়নি ডিভোর্স?
‘দ্য লালনটপ’-এর এক সাক্ষাৎকারে নানা জানান, নীলকান্তি নাটকে অভিনয় করতেন, আবার ব্যাঙ্কে চাকরিও করতেন, যাতে নানা নিজের স্বপ্নের পিছনে ছুটতে পারেন। অর্থাৎ নানার সংগ্রামের দিনে সংসারের ভরসা ছিলেন নীলকান্তি। এ কথা নানা কখনও অস্বীকার করেননি। তবে দু’জনের জীবনে এসেছিল বড় ঝড়ও। তাঁদের বড় ছেলে দুর্বাসা জন্ম থেকেই অসুস্থ ছিল। আড়াই বছর বয়সে সে মারা যায়। ছোট ছেলে মলহার। তিনি ক্যামেরার পিছনেই কাজ করেন। রাম গোপাল ভার্মার ‘দ্য অ্যাটাকস অফ ২৬/১১’-এ সহকারী পরিচালক ছিলেন।