লক্ষ্মীর পাশে থাকেন কার্তিক, কাঁচা মাছ-আনাজই দেবীর ভোগ
দেশভাগের পরে ১৯৪৮ থেকে তাঁরা ঝাড়গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই শুরু হয় পুজো। কিন্তু সে সময়ে বর্গী হামলার জেরে পুজো প্রায় বন্ধ হতে বসেছিল বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্য দীপঙ্কর সেনগুপ্ত বলেন, ‘ওই সময়ে বর্গীদের আতঙ্কে ভোগ রান্না করা যেত না। তাই দেবীর ভোগে কাঁচা আনাজ ও মাছ দেওয়া হতো।’ সেই থেকে পরিবারে পুজোর চার দিন দেবীকে কাঁচা ভোগ দেওয়া হয়। প্রতিদিন আলু, ফুলকপি, বেগুন, মূলো, কাঁচকলার মতো অন্তত পাঁচ রকম কাঁচা আনাজ ভোগে দেওয়া হয়। প্রথা মেনে কাঁচা চাল, ডাল, আনাজ নিবেদন করার পরে প্রসাদী পুরোটাই ব্রাহ্মণকে দান করা হয়।