‘দোখোনা’ সাজ দুর্গতিনাশিনীর, বোড়ো গ্রামে পুজো ‘মাইনো’র
পুজো শুরু হয় মহালয়ার দিনে। তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে এক মাসে আগেই। তৈরি করা হয়েছে কমিটি। কোষাধ্যক্ষ অনিন্দিতা শৈব বলেন, ‘হয়তো কালের নিয়মেআমাদের সমাজে কোনও কোনও জায়গায় ধর্মীয় রীতিনীতিতে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু আমরা এখনও নিষ্ঠাভরে সব কিছু পালন করছি। পরের প্রজন্মে এই আচারগুলো কতটা ধরে রাখা যাবে, তা বলা কঠিন। তবে আমরা যতদিন আছি, কোনও অনিয়ম হবে না আমাদের গাঁয়ে।’ পুজো কমিটির সম্পাদক রিঙ্কু নার্জিনারি বলেন, ‘দোখোনা বোড়ো সমাজের ঐতিহ্যের পোশাক। তাই আমাদের পুজোয় মাইনোকে শাড়ি পরানো হয় না। দোখোনা পরিয়ে আমরা মায়ের পুজো করি। দশমীর দিন চিরাচরিত নিয়ম মেনে স্থানীয় বানিয়া নদীতে মাইনোকে বিসর্জন দেওয়া হয়। শোভাযাত্রার পুরোভাগে থাকেন বোড়ো গ্রামের মহিলারা।’