জ্ঞানেশ ইস্যুতে INDIA-র কাছাকাছি বিজেডি, যোগ বিক্ষোভেও, রাহুলকে ‘ভণ্ড’ বলে দূরত্ব বাড়াল ডিএমকে
বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের কাছাকাছি আসছে নবীন পট্টনায়েকের বিজু জনতা দল? মঙ্গলবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন বিজেডি-র সাংসদরা। তার পর থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে দলীয় নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই কর্মসূচিতে যাওয়ার অর্থ কোনও ভাবেই ‘ইন্ডিয়া’ জোটে যোগ দেওয়া নয়।
ভোটারদের বিভ্রান্ত করা এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার ব্যর্থতার অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন নবীন পট্টনায়ক। সেই কারণেই বিরোধীদের ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিজেডির সাংসদরা যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিজেডির প্রবীণ নেত্রী তথা ওডিশা বিধানসভার মুখ্য সচেতক প্রমীলা মল্লিক।
বিজেডি এখন এনডিএ জোটে নেই। তবে ইন্ডিয়া জোটের থেকেও তারা সমদূরত্ব বজায় রাখছে বলে জানিয়েছেন সংসদীয় দলনেতা মানস মঙ্গরাজ। SIR-এ অনিয়মের অভিযোগে ওডিশায় ১২ ঘণ্টার বনধ ডেকেছে ইন্ডিয়া জোট। তবে এই নিয়ে জোটের নেতাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাঁরা বনধ সমর্থন করবেন কি না, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করেও কিছু জানাননি।
অন্য দিকে, রাহুল গান্ধীকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন এক সময়ে ইন্ডিয়া জোটের বন্ধু তথা শরিক ডিএমকে। লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে সোজাসুজি ‘ভণ্ড’ বলে তোপ দেগেছেন স্ট্যালিনের দলের শীর্ষ নেতা সর্বনন আন্নাদুরাই। তাঁর প্রশ্ন, ‘কেন সব রাজ্যের নির্বাচন বাতিল করার কথা বলছেন না? তামিলনাড়ু নিয়ে কী ভাবছেন রাহুল গান্ধী? নাকি থালাপতিকে ভয় পাচ্ছেন?’
শুধু ডিএমকে নয়, রাহুলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন ভারত রাষ্ট্র সমিতি (BRS)-র কার্যকরী সভাপতি কেটি রামা রাও। সংবিধান ও গণতন্ত্র নিয়ে রাহুল গান্ধীর অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ‘ভোট চুরি’র অভিযোগও তুলে রামা রাও বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসই তেলঙ্গানায় সবচেয়ে বড় ভোটচোর তৈরি করেছে।’