পুকুরে স্নান করতে নেমে তলিয়ে মৃত্যু দুই বন্ধুর, অল্পের জন্য বাঁচল একজন
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। স্থানীয়দের সাহায্যে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে ঘণ্টা দেড়েক পরে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়। ঝাড়গ্রাম মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। সোমারাজের বাবা রাজেশ দে বলেন, ‘ফুটপাতে দোকান চালাই। অনেক কষ্টে ছেলেটাকে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে পড়িয়েছি। পড়াশোনা ছাড়া অন্য কোথাও ঘুরতে যেতে প্রায়ই বারণ করতাম। বন্ধুদের সঙ্গে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে ডুবে মারা গেল ছেলেটা।’ জারালাটা গ্রামের বাসিন্দা মানিক মান্না বলেন, ‘ছেলেগুলো মাঝেমধ্যেই এখানে এসে পুকুরে স্নান করতো। পুকুরটা বেশ গভীর হওয়ায় বারণ করলেও শুনতো না। শুনলে এই দুর্ঘটনা ঘটতো না।’ জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে ডুবেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ অন্যদিকে, শনিবার রাতে সাঁকরাইল থানার বাহাদুরপুর গ্রামে পুকুরে পা পিছলে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় আশিস মাইতির (৫৫)।